কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি :
যশোরের কেশবপুরে বৃহষ্প্রতিবার দুপুরে টোঙ ঘরে রেখে যাওয়া বোমা নিয়ে খেলা করাকালিন বিষ্ফোরনে ঘটনাস্থলেই আব্দুর রহমান(১০) নামে এক শিশু নিহত ও নিহতের মা ও বোনকে গুরুতর আহতাব্স্থায় কেশবপুর উপজেলা স্বাস্ত্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে যুবলীগ নেতার ঘেরের টোঙ ঘর থেকে মাদক সেবনের সরাঞ্জাম উদ্ধার করেছে, এবং পুলিশ ফারুক হোসেন নামে এক যুবলীগ নেতাকে আটক করেছে।
জানা গেছে, চলাচলে অক্ষম স্বামীর অবর্তমানে কেশবপুর উপজেলার বাউশলা গ্রামের মিজানুর রহমানের স্ত্রী নিলুফা বেগম প্রতি দিনের ন্যায় বৃহস্পতিবার দুপুওে বাড়ীর পাশ্ববর্তি মাঠে যায় তাদের স্যালো মেশিন দিয়ে পানি উঠছে কিনা তা দেখতে। এসময় টোঙ ঘরে স্যালো মেশিনের পাশে পরিতাক্তবস্থায় একটি কৌটা পড়ে থাকতে দেখে সে কৌটাটি হাতে করে বাড়ীতে আনে। দুপুরের দিকে মা নিলুফা, ছেলে আব্দুর রহমান ও মেয়ে মারুফা মিলে কৌটাটি খোলার চেষ্টাকালে সেটি বিষ্ফোরিত হয়। এতে ঘটনাস্থলে ছেলে আব্দুর রহমান (১০) নিহত হয়। মারাত্বকভাবে আহত হয় নিলুফা (২৭) ও শিশু কন্যা মারুফা(৪)। প্রতিবেশীরা আহত মা-মেয়েকে মুমুর্ষবস্থায় উদ্ধার করে কেশবপুর হাসপাতালে ভর্তি করে। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলের পাশ্ববর্তি এক যুবলীগ নেতার ঘেরের টোঙ থেকে মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। পরে অভিযান চালিয়ে বোমার ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ৪নং বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেনের ভাই ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক ফারুক হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জসীম উদ্দীন বলেন, তিনি নিজে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বোমার ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ফারুক হোসেন নামে এক যুবলীগ নেতাকে আটক করা হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল।
