আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
কুয়েতে রয়েছে অসংখ্য সি-ফুড রেস্তোরাঁ। আর এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত মিশর, লেবানন, ইরান, সিরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা।
তবে, সেসব দেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রতিনিয়তই সি-ফুড ব্যবসায় ঝুঁকছেন কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। তবে, করোনা মহামারি ও বৈশ্বিক মন্দায় ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন রেস্তোরাঁ মালিকরা।
কুয়েতে রয়েছে অসংখ্য সি-ফুড রেস্তোরাঁ। স্থানীয়দের পাশাপাশি এসব রেস্তোরাঁর মালিকদের অধিকাংশই মিশর, লেবানন, ইরান, সিরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিক। তবে, বিদেশিদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সম্প্রতি এ ব্যবসায়ে ঝুঁকছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরাও। তবে করোনা মহামারি ও বৈশ্বিক মন্দায় ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। প্রতিনিয়তই গুনতে হচ্ছে লোকসান।
কুয়েতজুড়ে সামুদ্রিক মাছের বারবিকিউ বেশ জনপ্রিয়। এসব মাছের ক্রেতারা অধিকাংশই স্থানীয় নাগরিক হলেও, বাংলাদেশি ক্রেতার সংখ্যাও কম নয়। তবে, সাধারণ মাছের তুলনায় এসব মাছের মূল্য বেশি হওয়ায় দিনদিন দিনদিন তা প্রবাসী বাংলাদেশিদের হাতের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।
কুয়েতজুড়ে করোনার প্রকোপ কমে আসায় ব্যবসায়ে লোকসান কাটিয়ে ওঠার আশায় বুক বাঁধতে শুরু করেন বাংলাদেশি সীফুড রেতোরাঁ মালিকরা। তবে, সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক মন্দায় আবারও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।
