হোম রাজনীতি কার্ডের কথা বলে তারা ভোট কেনার কৌশল করছেন: নাহিদ ইসলাম

কার্ডের কথা বলে তারা ভোট কেনার কৌশল করছেন: নাহিদ ইসলাম

কর্তৃক Editor
০ মন্তব্য 37 ভিউজ

নিউজ ডেস্ক:
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডের কথা বলে ভোট কেনার এক ধরনের কৌশল তারা করছেন। কিন্তু আমরা যেটুকু মাঠে নেমে বুঝতে পারছি, মানুষ তাদের ওতটা সাড়া দিচ্ছে না। এগুলোতে মানুষ বিশ্বাসও করছে না। কারণ তারা এর আগেও এমন মিথ্যা প্রতিশ্রুতি শুনেছেন; সেসব প্রতিশ্রুতি কেউ বাস্তবায়ন করেননি। শুধু প্রতিশ্রুতি দিলেই হয় না। কীভাবে সেটা বাস্তবায়নযোগ্য হবে, তা নিয়ে আমরা কথা বলছি।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর শাহজাদপুর বাঁশতলা, নূরেরচালা বাজার, নবধারা সড়ক এবং একতা সড়ক এলাকায় নির্বাচনি প্রচারণাকালে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

এনসিপির আহ্বায়ক অভিযোগ করে বলেন, ঢাকা-১১ আসনে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে এবং নির্বাচনি আচরণবিধিও মানা হচ্ছে না। এবারের ভোটটা নতুন বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের ভোট। এবার একই দিনে গণভোটও হবে। মানুষ যাতে এ ভোট দিতে ভয় না পায়, সেদিকে আমরা জোর দিচ্ছি। আমরা দেখছি, দেশের বিভিন্ন এলাকায়; এমনকি আমার নির্বাচনি এলাকাতেও এক ধরনের ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে রাখা হয়েছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, কোনও ধরনের আচরণবিধি মানা হচ্ছে না, আগেও মানা হয়নি। আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার টাঙানো হচ্ছে। অথচ আচরণবিধি মেনে আমরা যে ব্যানার টাঙাচ্ছি, তাতে আমাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে; ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। তারা আসলে কোনোভাবেই আচরণবিধি মানছেন না।

তিনি বলেন, ১৬ বছর পরে একটা সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। মানুষ যাতে এ নির্বাচনে নির্বিঘ্নে-উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে আসে সে জন্য আমরা সচেতন করছি।

ঢাকা-১১ আসনের বিভিন্ন সমস্যা ও তার সমাধানে নিজের পরিকল্পনা তুলে ধরে শাপলা কলি মার্কার এই প্রার্থী বলেন, এলাকায় বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে। আমরা সেগুলো জনগণের কাছ থেকে শুনছি। এ এলাকায় পানি ও লাইনের গ্যাসের বড় সমস্যা রয়েছে। সকালে গ্যাস চলে যায়, সারা দিন আসে না। পানির সমস্যা নিয়ে ওয়াসায় আবেদন করা হয়েছে। আমি চেষ্টা করবো, কীভাবে এ সমস্যা সমাধান করা যায়।

মাদক নির্মূলের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নাহিদ বলেন, প্রকাশ্যে এখানে মাদকের কারবার চলে। তরুণসমাজ এ মাদকের কবলে পড়েছে। তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ মাদকের সঙ্গে প্রশাসন ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা জড়িত। আমরা ঢাকা-১১ আসনের এ এলাকা থেকে মাদক নির্মূলে কাজ করবো। চাঁদাবাজি, ভূমি দখলের সমস্যাগুলো বেড়েছে। ৫ আগস্টের পর থেকে এটা সারা দেশে হচ্ছে। একটি দলের নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলে ব্যস্ত। ভূমি দখল আওয়ামী লীগের আমলেও হয়েছে। এখন সেটা চালিয়ে যাচ্ছে আমাদের যে প্রতিদ্বন্দ্বী দল রয়েছে, তাদের প্রার্থী ও তার কর্মী-সমর্থকরা। এ সমস্যা সমাধানেও আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে।

নির্বাচনি প্রচারণা ও গণসংযোগে তার সঙ্গে ছিলেন– স্থানীয় জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ দশ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীরা। তারা হেঁটে হেঁটে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন ও তাদের দাবি-দাওয়ার কথা শোনেন এবং নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট চান।

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন