জাতীয় ডেস্ক :
কারাগারে পরিচয় অতঃপর ইয়াবা কারবারের বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় কক্সবাজারের টেকনাফে এক যুবক নিহত এবং একজন আহত হয়েছে।
শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) রাতে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের মরিচ্যাঘোনা বড়বিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।
নিহত মোহাম্মদ সুমন মিয়া (৩৫) লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানার বাসিন্দা।
এ ঘটনায় আহত হয়েছেন লক্ষ্মীপুর জেলার বিজয় নগর থানার হাশুন্দি এলাকার এনজু মিয়ার ছেলে জহিরুল ইসলাম (৩৮)।
টেকনাফ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. নাছির উদ্দিন বলেন, শুক্রবার রাতে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের মরিচ্যাঘোনা বড়বিল এলাকায় ইয়াবা কারবার নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্যরা প্রতিপক্ষের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলে একজন নিহত ও একজন আহত হয়েছে। আহত যুবককে স্থানীয়রা উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে।
তিনি বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জহিরুল জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে সুমন ও জহিরুল লক্ষ্মীপুর থেকে কক্সবাজার বেড়াতে আসেন। ওইদিন তারা হোটেলে রাতযাপন করেন। শুক্রবার সকালে তারা পূর্বপরিচয়ের সূত্রে টেকনাফে হ্নীলা ইউনিয়নের মরিচ্যাঘোনা এলাকার মোহাম্মদ রাসেলের বাড়িতে বেড়াতে যায়।
‘জহিরুল পুলিশকে জানায়, কক্সবাজার কারাগারে থাকার সময় মোহাম্মদ সুমনের সঙ্গে মোহাম্মদ রাসেলের পরিচয় ছিল।’
জহিরুলের বরাতে পরিদর্শক বলেন, সকালে হ্নীলায় পৌঁছার সুমনের সঙ্গে রাসেল ও মো. ইব্রাহিম নামে দুই যুবকের মধ্যে একান্ত আলাপ হয়। আলাপ শেষে তাদের (সুমন ও জহিরুল) গাড়িতে তুলে দেয়ার কথা বলে স্থানীয় এক পাহাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে রাসেল ও ইব্রাহিমসহ আরও ৫ থেকে ৬ জন মিলে তাদের (সুমন ও জহিরুল) লোহার রড দিয়ে মারধর করতে থাকে। এসময় সুমনের কাছ থেকে পাওনা বাবদ ৩ লাখ টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি করে। এসময় মারধরের এক পর্যায়ে সুমন আহত হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যায়।
পরিদর্শক জানান, প্রাথমিকভাবে ইয়াবার টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ তথ্য পেয়েছে। তারপর ঘটনার ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়ে জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
