হোম আন্তর্জাতিক কাঁধে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রে মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে ইরান

কাঁধে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রে মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে ইরান

কর্তৃক Editor
০ মন্তব্য 48 ভিউজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানে একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান কাঁধ থেকে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ভূপাতিত হয়েছে। এই ঘটনায় দুই পাইলটকে উদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্রকে নাটকীয় অভিযান চালাতে হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ট্রাম্প বলেন, এ ঘটনা চলমান সংঘাতের জটিলতা এবং ইরানের পক্ষ থেকে এখনও বিদ্যমান নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি স্পষ্ট করে।

তিনি ও তার শীর্ষ কর্মকর্তারা আরও দাবি করেছেন, ছয় সপ্তাহের সামরিক অভিযানে ইরানের সামরিক সক্ষমতা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। তাদের মতে, ইরানের নৌ ও বিমানবাহিনী প্রায় অকার্যকর হয়ে গেছে এবং বহু ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা, লঞ্চার ও ড্রোন কারখানা ধ্বংস হয়েছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, এখন পর্যন্ত ১৩ হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে এবং ১৫০টিরও বেশি ইরানি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস করা হয়েছে।

তবে এসব দাবি সত্ত্বেও দীর্ঘমেয়াদি হুমকি রয়ে গেছে বলে সতর্ক করেন ট্রাম্প। তিনি ইরানে স্থলবাহিনী পাঠানোর বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে বলে ইঙ্গিত দেন। বিশেষ করে ‘অসামঞ্জস্যপূর্ণ যুদ্ধ’-এর ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছোট গোষ্ঠী বা ব্যক্তিরাও বড় ধরনের হুমকি সৃষ্টি করতে পারে।

হোয়াইট হাউসে এক ব্রিফিংয়ে হরমুজ প্রণালী নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারি, কিন্তু এটি বন্ধ করতে একজন ব্যক্তিই যথেষ্ট।’

একই সঙ্গে তিনি দুই পাইলটকে উদ্ধারের ঘটনাকে অত্যন্ত নাটকীয় হিসেবে বর্ণনা করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, একজন পাইলট দ্রুত উদ্ধার হলেও অন্যজন পাহাড়ি এলাকায় আশ্রয় নিয়ে নিজের অবস্থান গোপন রাখেন। পরে সিআইএ তার অবস্থান শনাক্ত করে।

ট্রাম্প জানান, আহত অবস্থায় ওই পাইলট নিজেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর তার সংকেত শনাক্ত হলে ২০টিরও বেশি সামরিক বিমান পাঠিয়ে উদ্ধার অভিযান চালানো হয়।

তিনি আরও দাবি করেন, সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এই অভিযান চালানো হয়, কারণ ইরানও ওই পাইলটকে খুঁজে বের করতে ব্যাপক সেনা মোতায়েন করেছিল।

সূত্র: এনবিসি নিউজ

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন