জাতীয় ডেস্ক :
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের পাশে গড়ে ওঠা চার শতাধিক অবৈধ ঝুপড়ি দোকান উচ্ছেদ করেছে জেলা প্রশাসন। হাইকোর্টের আদেশ বাস্তবায়নে দোকানগুলো উচ্ছেদ করা হয়।
সোমবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা, কলাতলী এবং লাবণী পয়েন্টের এসব ঝুপড়ি দোকান উচ্ছেদ করা হয়।
এ সময় উচ্ছেদ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব আবু জাফর রাশেদ, জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আমিন আল পারভেজ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান প্রমুখ।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আমিন আল পারভেজ বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সৈকতে ৫ শতাধিক দোকানের মধ্যে ৪১৭টি উচ্ছেদ করা হয়েছে। অন্য দোকানগুলো সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একটি আদেশ থাকায় পরবর্তীতে এসব দোকানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান বলেন, ‘যাদের দোকান উচ্ছেদ হয়েছে তাদের প্রতি সরকার খুবই আন্তরিক। তাদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারকে জানানো হবে।’
উচ্ছেদ অভিযানে পুলিশ, আনসার ব্যাটালিয়ন, ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখেন।
উচ্ছেদ হওয়া দোকান মালিক লাল মিয়া জানান, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন কার্যালয় থেকে বার্ষিক ৮ হাজার টাকা অনুমোদন ফি নিয়ে ঝুপড়ি দোকানগুলো বসানো হয়। এসব ঝুপড়ি দোকানের সংখ্যা নির্দিষ্ট হলেও কয়েক বছর ধরে গণহারে অনুমোদন দেয় জেলা প্রশাসন। ফলে সৈকতের একেবারে নিচে পর্যন্ত রাতারাতি যত্রতত্র বসেছে এসব ঝুপড়ি দোকান। সৈকতে লাবণী থেকে কলাতলী পর্যন্ত অন্তত হাজারও ঝুপড়ি দোকান রয়েছে।
