হোম অর্থ ও বাণিজ্য এলপি গ্যাস, কেউ কি ইচ্ছে করে বাজার অস্থিতিশীল করছে?

বাণিজ্য ডেস্ক :

দোষারোপের আগুনে জ্বলছে দেশের এলপি গ্যাস। সেই তাপেই পুড়ছে ভোক্তার পকেট। অযৌক্তিকভাবে দাম নির্ধারণ করে দিচ্ছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। তাতেই মগের মুল্লুকে পরিণত হয়েছে বাজার। আমদানিকারকদের এমন দাবির সঙ্গে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) বলছে, দেশে গ্যাসের দাম ও বাজার নিয়ন্ত্রণে বিইআরসির ব্যর্থতার মাশুল গুনছেন ভোক্তারা। কেউ কি ইচ্ছে করে বাজার অস্থিতিশীল করছে–এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গোয়েন্দা সংস্থাকে পাশে চায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।

‘প্রত্যেক গ্রাহক দাম বৃদ্ধি নিয়ে প্রশ্ন করছেন। তারা তো করতেই পারেন যে এত বেশি দাম কেন নেয়া হচ্ছে। কিন্তু আমরা তো কমে কিনতে পারছি না।’ মহল্লার এক গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রেতার এমন কথার যেন সত্যতা নিশ্চিত করতেই মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে এলপি গ্যাসের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা হাজরি হন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরে।

ডিলার আর খুচরা ব্যবসায়ীরা অকপটে জানান, বেশি দরে কিনে বাড়তি দামে গ্যাস বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।

দাম বৃদ্ধির সমস্ত দায় সরকারের কাঁধে চাপিয়ে এলপিজি আমদানিকারকরা বলছেন, ব্যবসায়িক কোনো যুক্তি না মেনে দাম ঠিক করে দিয়ে গ্যাসের বাজারকে মগের মুল্লুকে পরিণত করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। একই মত ক্যাবের। তারা বলছে, সংস্থাটির ব্যর্থতার দায় বহন করছেন ভোক্তারা।

আলোচনায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন বলছে, গ্যাসের বাজারে চলছে অসুস্থ প্রতিযোগিতা। এ সময় ভোক্তার স্বার্থরক্ষায় গোয়েন্দা সংস্থাকে কাজ করার আহ্বান জানায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।

নির্ধারিত মূল্যে ভোক্তার চুলায় গ্যাসের ব্যবহার নিশ্চিতে অভিযান জোরদার করবে ভোক্তার অধিকার নিয়ে কাজ করা সরকারি সংস্থাটি।

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন