রাজনীতি ডেস্ক :
দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নিতে এবার দুদকের দ্বারস্থ হলো বিএনপি। সোমবার (১১ এপ্রিল) সকালে দলটির প্রতিনিধিদল দুদক কার্যালয়ে গিয়ে বিভিন্ন নথিপত্র জমা দিয়েছে।
সরকারের দুর্নীতি-অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানাতে সোমবার দুদক কার্যালয়ে আসেন বিএনপির দুই সদস্যের প্রতিনিধি দল। এ সময় গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন খবর যুক্ত করে দুদক সচিবকে একটি চিঠি দেওয়া হয়। প্রতিনিধিদলে ছিলেন দলের যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু।
এ সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, নির্দিষ্ট দুটি ব্যাপারে আমরা সেই সংক্রান্ত কিছু দলিল-কাগজপত্র ও একটি পেনড্রাইভ দিয়েছি। দুদকের পক্ষ থেকে আমাদেরকে স্বাগতম জানানো হয়েছে। আমরা বলেছি ভবিষ্যতে আমরা বিভিন্ন প্রসঙ্গে আসব।
এর আগে সকালে গুলশান কার্যালয়ে এক ব্রিফ্রিংয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেন বলেন, কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে দুদক কৌশলে সরকারের দুর্নীতি ধামা-চাপা দিচ্ছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশের যে ভয়াবহ চিত্র দুর্নীতির এবং সেটা সম্পূর্ণ সরকারের মদদে হচ্ছে। যত দুর্নীতির বিষয়গুলো উঠে আসে সে সম্পর্কে দুদক কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করে না। আমরা আপাতত দুটো বিষয় নিয়ে দুদককে চিঠি দিব। তাদেরকে আমরা তদন্ত করার অনুরোধ করব।
বিএনপির এমন কর্মকাণ্ডকে রাজনৈতিক স্ট্যানবাজি হিসেবে দেখছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দলটির নেতারা বলছেন- দুর্নীতিগ্রস্থ দলের এমন আচরণ দ্বিমুখীতা।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের কাছে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি সময় নিউজকে বলেন, দুর্নীতিবাজদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। বিএনপি-জামাতিরা যেভাবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলে এর মানে হলো রাজনৈতিক ফায়দা লুটার চেষ্টা। সব কিছুর মধ্যে নেতিবাচক, উদ্দেশ্য প্রণোদিত এবং তাদের দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য। তারা প্রকৃতপক্ষ্য দুর্নীতি কমে আসুক সেটা চায় না।
দুর্নীতিবাজ যে দলেরই হোক কোন ছাড় দেয়া হবে না বলেও হুশিয়ারি দেন আওয়ামী লীগের এ নেতা।
