হোম রাজনীতি ইসলামী আন্দোলনকে বাদ রেখেই জামায়াত জোটের জরুরি বৈঠক

ইসলামী আন্দোলনকে বাদ রেখেই জামায়াত জোটের জরুরি বৈঠক

কর্তৃক Editor
০ মন্তব্য 36 ভিউজ

নিউজ ডেস্ক:

নির্বাচনে আসন সমঝোতার টানাপোড়েনের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশেকে বাদ দিয়ে জোটের বাকি ৯ দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতারা। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ঢাকার মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ বৈঠক হচ্ছে।

বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ ফয়সাল। বৈঠকে ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ নেই বলে জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ। তিনি বলেন, ‘আজকের বৈঠকে আমাদের কোনো প্রতিনিধি নেই। তবে সমঝোতার বিষয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে। জোটে থাকা না থাকার বিষয়টি পরবর্তীতে জানানো হবে।’

বৈঠকের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। এতে দেখা গেছে, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ড. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চাঁদ, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, খেলাফত মজলিশের মহাসচিব আহমাদ আব্দুর কাদেরসহ শীর্ষ নেতারা বৈঠকে অংশ নিয়েছেন।

এদিকে দুপুর দেড়টার দিকে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘সমঝোতার বিষয়ে চূড়ান্ত কথা বলার মতো অবস্থা এখনো তৈরি হয় নাই, বহুমাত্রিক আলোচনা এখনো চলছে। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে ইসলামপন্থীদের এক বাক্স নীতিকে ভিত্তি করে যে রাজনৈতিক সমঝোতার পথচলা শুরু হয়েছিল, তা জাতির মনে প্রত্যাশা তৈরি করেছে। সেই পথচলায় কিছুটা অস্বস্তি তৈরি হলেও সমঝোতার বিষয়ে চূড়ান্ত কিছু বলার সময় এখনো আসেনি।’

এক বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা, ‘নেতৃবৃন্দ বহুমাত্রিক ও বহুপাক্ষিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। চূড়ান্ত কিছু বলার মতো অবস্থা তৈরি হলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং অপরাপর দলসমূহ আনুষ্ঠানিকভাবেই জাতিকে অবহিত করবে।’

উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন হতে যাচ্ছে। সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট আলাদা করার দাবিতে তার আগেই একসঙ্গে কর্মসূচি পালন করছিল ইসলামী আটটি দল। সেগুলো হলো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি)। পরে আসন সমঝোতা করে একসঙ্গে নির্বাচনের সিদ্ধান্তও নেয় তারা। পরে সমঝোতায় যুক্ত হয় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) এবং আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)।

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন