আশাশুনি প্রতিনিধি :
আশাশুনি উপজেলার বড়দলে দোকানে হামলা চালিয়ে ৮৩ সহস্রাধিক টাকার মালামাল লুট এবং দোকান মালিক নার্গিসসহ দু’জনকে জখম করা হয়েছে। গুরুতর আহত নার্গিসকে আশঙ্কা জনক অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
আশাশুনির বড়দল বাজারের মহিলা বিপনী কেন্দ্রের স্বত্ত¡াধিকারী মৃত শাহাদাৎ হোসেন সানার কন্যা নার্গিস আক্তার বানু বাদী হয়ে থানায় দখিলকৃত এজাহার সূত্রে জানাগেছে, তার গার্মেন্টসর দোকানে কাপড়চোপড়সহ বিভিন্ন প্রকারের মালামাল বিক্রয় করে থাকেন। তার ভাগ্নে রবিউল পাশে কম্পিউটারের কাজ করে। গত ১৯ জুলাই রবিউলকে তার স্ত্রী ডিফোর্স করে। এবং সেই থেকে তারা রবিউলকে কিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা যায় তার ষড়যন্ত্র করে আসছিল।
ডিভোর্স করা স্ত্রী নাজমা পারভীন, তার ভাই কামরুজ্জামান, রাশিদা বেগম,ময়না বেগমসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জন গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাত্র ৮টার দিকে বাদীর দোকানে অনাধিকার প্রবেশ করে তাকে (নার্গিস) নির্মমাভাবে মারপিট ও দোকানের আসবাব ভাংচুর ও মালামল ছুড়ে ফেলতে থাকে। বাধা দিতে গেলে তার গলায় ওড়না পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা ও বেআব্রু করে শ্লীলতা হানি ঘটিয়ে গলায় থাকা স্বর্নের চেইন, কানের দুল (অনুঃ মূল্য ৪৫০০০ টাকা) ছিনিয়ে নেয় এবং ক্যাক্স বাস্ক থেকে নগদ ৩৮৫০০ টাকা নেয়।
এসময় রবিউল এগিয়ে গেলে তাকেও বেদম মারপিট করে নিলাফোলা জখম করা হয়। পাশের লোকজন এগিয়ে গেলে জীবন নাশের হুমকীধামকী দিয়ে তারা কেটে পড়ে। রাতেই গুরুতর আহত নার্গিসকে আশাশুনি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে অবস্থার অবনতি ঘটায় আশঙ্কা জনক অবস্থায় তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসাপাতালে রেফার করা হয়।
এব্যাপারে থানায় লিখিত এজহাজার দাখিল করলে এসআই জাহাঙ্গীর সেলিম বুধবার বিকারে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। অপরদিকে রবিউলের ডিফোসকারী স্ত্রী নাজমা ডিজিটাল আইনে থানায় পৃথক একটি ইজাহার দাখিল করেছেন বলে জানাগেছে।
