হোম অন্যান্যসারাদেশ আশাশুনিতে এক প্রতিবন্ধির বাড়ীতে লুটপাট জবর দখল অগ্নি সংযোগের অভিযোগ

আশাশুনি প্রতিনিধি :

আশাশুনির বুধহাটা ইউনিয়নের মধ্যম চাপড়া গ্রামে এক শারীরিক প্রতিবন্ধি বাড়ীতে দফায় দফায় লুটপাট, ভাংচুর ও গভীররাতে অগ্নিসংযোগের ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই রাতেই ফায়ার সার্ভিস আশাশুনি থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে এ ঘটনা ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য প্রতিপক্ষ স্কুল শিক্ষক বিভিন্ন মহালে দৌড়ঝাপ শুরু করেছে।

সরেজমীন ও বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে জানাগেছে মধ্যম চাপড়া গ্রামের বিল্লাল হোসেনের ছেলে শারীরিক প্রতিবন্ধি রাসেল চাপড়া মৌজায় গত ২বছর যাবৎ নদীর চরভরাটে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নামীয় ৪একর ৩৩শতক জমির মধ্যে বিআরএস ১৬৬৯দাগে ৩৩শতক জমিতে ঘর নির্মান করে বসবাস করে আসছে। লোভ বা লাভের বশবতি হয়ে প্রতিবন্ধি রাসেলকে উচ্ছেদের জন্য গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।

একই গ্রামের মুত আফিল উদ্দীনের ছেলে আবু সাঈদ ও তার ভাই শাহাজান, ওহিদুল, রাকিব, রফিকুল সহ তাদের দলবল। এ সুযোগে গতকাল সন্ধ্যা ৭টার দিকে দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র সজ্জিত হয়ে স্কুল শিক্ষকের প্রকাশ্যে মদদে প্রতিবন্ধি পরিবারের ঘেরা বেড়া ভাংচুর করতে থাকে। তাদের এহেন কর্মকান্ডে বাধা দিলে রক্তক্ষয়ি সংঘর্ষের রূপ নিবে বলে প্রতিবন্ধি রাসেল মৌখিকভাবে স্থানীয় প্রশাসনকে অবগত করেন।

কিন্তু উল্লেখিত বিবাদীরা এসকল কর্মকান্ডে ক্ষ্যান্ত হয়নি। পুনরায় ওই দিন রাতে অথ্যাৎ ১৭ মে গভীর রাতে প্রতিবন্ধি রাসেল ও তার পরিবারকে উচ্ছেদ করার জন্য অগ্নিসংযোগ ঘটায়। এরপর রাতে নদীতে মাছধরা লোকেরা আগুন দেখে চিৎকার দিলে প্রতিবন্ধি পরিবারের ঘুম ভেঙ্গে যায়। বাড়ীর বাহিরে এসে প্রতিপক্ষ স্কুল শিক্ষকের দোকানের আলোয় উল্লেখিত ব্যক্তিদের দেখতে পায়।

এরপর তারা চিৎকার দিলে পাশম্ববর্তি লোকজন এসে আগুন নেভাতে থাকে। কিন্ত ফারায় সার্ভিস ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছানোর পূর্বেই স্থানীয়রা আগুন নিভায়ে ফেলে। এ ব্যাপারে স্কুল শিক্ষককের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। উল্লেখ্য উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ ঘটনা নিবৃতি করার জন্য উভয় পক্ষকে নিয়ে মিমাংসা করে দেবেন বলে জানাগেছে।

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন