বিনোদন ডেস্ক:
২০ বছর ধরে ক্যামেরার পেছনে কাজ করার পরে নিজের নির্মিত ওয়েব ফিল্মের মাধ্যমে এবার অভিনয়ে অভিষেক হলো চলচ্চিত্র নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর। ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’তে প্রথমবারের মতো অভিনয় করেছেন তিনি।
এ বিষয়ে সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী জানান, এই ছবিটা আসলে ‘লাভ লেটার টু আওয়ার ডটার ইলহাম’! অথবা সকল মেয়ের উদ্দেশেই তার মায়ের লাভ লেটার, বাবার লাভ লেটার।
গত ৫ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় মুক্তি পেয়েছে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী অভিনীত ‘অটোবায়োগ্রাফি’র ট্রেলার। এক মিনিট ৪৪ সেকেন্ডের ট্রেলারে দেখা যায়, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও নুসরাত ইমরোজ তিশার প্রেমের গল্পের ঝলক। তাদের সম্পর্কের নানা চড়াই-উতরাই থেকে পরিণয়।
এর আগে ‘অটোবায়োগ্রাফি’ প্রসঙ্গে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, ‘পঁচিশ বছর ধরে কাজ করছি। নানা রকম গল্প বলার চেষ্টা করেছি। সেগুলোর একেকটা একেক রকমভাবে মানুষকে স্পর্শ করেছে। কোনোটা বেশি, কোনোটা হয়তো কম। অভিনয় কেমন হওয়া উচিত, কোন গল্প বলা জরুরি–এসব নিয়ে সারাক্ষণই নিরীক্ষা করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু যে কাজটা কখনোই করার চেষ্টা করিনি, সেটা হলো অভিনয়।’
এ নির্মাতার ভাষ্য: “আমি এবং তিশা দুজনই জানি ‘অটোবায়োগ্রাফি’ সিনেমাটি লেখার সময় থেকেই যে, এখানে আমাদের দুজনকেই অভিনয় করতে হবে। প্রথমদিকে এটা নিয়ে আমার মধ্যে ইতস্তত ভাব ছিল। কারণ, অভিনয় একটা ভালনারেবল কাজ। আর এই গল্পে অভিনয় তো আরও ভালনারেবল ব্যাপার। রেদওয়ান রনি গল্প শোনার পর বলল, বস, এই ক্যারেক্টার আপনাকেই করতে হবে। তারপরও আমার সংশয় না কাটলে তিশা আমাকে হেল্প করে সিদ্ধান্ত নিতে। ও (তিশা) বলে, ‘এই গল্প তুমি জীবনে একবারই করতে পারবে। করে ফেলো, প্লিজ!’ তার পর তো বাকিটা ইতিহাস…।”
অটোবায়োগ্রাফি’তে ফারুকী-তিশা ছাড়াও অভিনয় করেছেন ইরেশ যাকের, শরাফ আহমেদ জীবন, ডলি জহুরসহ অনেকে।
উল্লেখ্য, চরকিতে ১২ জন নির্মাতা ১২টি চলচ্চিত্র নিয়ে আসছেন। আর এই পুরো প্রজেক্টটির নাম দেয়া হয়েছে ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’। এটির তত্ত্বাবধানে আছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। এই প্রজেক্টের ২টি সিনেমা নির্মাণ করছেন তিনি নিজেই। এগুলো হলো: ‘মনোগামী’ ও ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’।