হোম অর্থ ও বাণিজ্য শেষ হলো ব্যাংক ঋণের নয়-ছয় সুদহার

বাণিজ্য ডেস্ক :

ব্যাংক আমানত ও ঋণের ওপর বেঁধে দেয়া সুদহার তুলে নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন থেকে আমানতের সুদহার নিজেরাই নির্ধারণ করতে পারবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সুদহার ১২ শতাংশ পর্যন্ত হবে।

রোববার (১৫ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের শেষ ছয় মাসের জন্য নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে আমানতের সর্বনিম্ন সুদহার পুরোপুরি তুলে নেয়া হয়েছে।

নতুন মুদ্রানীতিতে ভোক্তাঋণের সুদহার বাড়ানোর ঘোষণায় বলা হয়েছে, ভোক্তাঋণের ক্ষেত্রে সুদহার ৩ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। বর্তমানে ব্যাংকের সব ধরনের ঋণের সুদহার ৯ শতাংশে বেঁধে রাখা হয়েছে। এখন সেখানে ভোক্তাঋণের সুদহার বাড়িয়ে ব্যাংকগুলো ১২ শতাংশ পর্যন্ত করতে পারবে। আমানতের সুদহার ৬ শতাংশে বাঁধা থাকবে না বলে জানিয়েছেন গভর্নর।

আব্দুর রউফ বলেন, ব্যাংকের আমানত গত বছরের চেয়ে ৮ শতাংশ বেড়েছে। আমানতের সুদহার উন্মুক্ত করে দেয়া ও ঋণ সুদহারে কিছুটা শিথিল করায়, তা আমানতের সুদহার বাড়াতে সহায়তা করবে।

এ ছাড়া অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নতুন করে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। আর মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

অর্থ পাচার রোধ বাংলাদেশ ব্যাংকের কাজ নয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, তা সত্ত্বেও বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে বেশ কিছু পণ্যের ওভার ইনভয়েসিং ও আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের তথ্য রয়েছে। তবে ওভার ইনভয়েসিং অনেকটা কমেছে।

যেকোনো একটা ধাক্কায় বাংলাদেশের অর্থনীতি নড়ে যাবে না উল্লেখ করে আব্দুর রউফ বলেন, ‘ইউক্রেন যুদ্ধ, ফেডারেল ব্যাংকের আগ্রাসি সুদহার ও চীনের করোনা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ।’

এর আগে ২০২১ সালের আগস্টে আমানতের সর্বনিম্ন সুদহার বেঁধে দেয়া হয়েছিল। সে সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়, তিন মাস ও তার বেশি মেয়াদি আমানতের সুদ কোনোভাবেই তিন মাসের গড় মূল্যস্ফীতির কম হতে পারবে না।

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন