হোম অন্যান্যশিক্ষা শাবিপ্রবিতে মারামারি, ভাঙচুর

শাবিপ্রবিতে মারামারি, ভাঙচুর

কর্তৃক Editor
০ মন্তব্য 143 ভিউজ

শিক্ষা ডেস্ক:

গায়ে ধাক্কা লাগার জেরে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের নেতা-কর্মীর মধ্যে মারামারি ও কক্ষ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ছাত্রাবাস শাহপরাণ হলে শাখা ছাত্রলীগের সাবেক পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক খলিলুর রহমানের সমর্থক মো. শিপন মিয়া ও ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল হুদা শুভয়ের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, দুপুরে ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল হুদা শুভ ক্যান্টিন থেকে খাবার নিয়ে বের হয়ে যাওয়ার পথে খলিলুর রহমানের সমর্থক শিপনের ধাক্কা লাগে। এ নিয়ে শিপন ও নাজমুলের মধ্যে প্রথমে বাগবিতণ্ডা হয়। একসময় তারা হাতাহাতি ও মারিমারিতে জড়ায়। খলিলুরের সমর্থক শিপন ক্যান্টিন থেকে বের হয়ে পরবর্তীতে তার গ্রুপের অন্য কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে হলের নাজমুল হুদার কক্ষে গিয়ে ভাঙচুর করেন। এসময় হলে উত্তপ্ত পরিবেশ তৈরি হয় এবং উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এরপর হল প্রভোস্ট এবং প্রক্টরিয়াল বডি এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

ঘটনার বিষয়ে খলিলুরের সমর্থক মো. শিপন মিয়া বলেন, হলে উনার সাথে ধাক্কা লাগার পর কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উনিই আমাকে প্রথম চড় মারেন। এরপর উনার সাথে আমার হাতাহাতি হয়। এর একপর্যায়ে উনি আমাকে কিল-ঘুষি দিয়ে হলের ক্যান্টিনের চেয়ার দিয়েও আঘাত করেন। এসময় আমার মাথা, পীঠ এবং হাতে ব্যথা পাই। আমি এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

তিনি বলেন, হলে ভাঙচুরের বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারি না। আমাকে মারধর করার পর আমাকে মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়। এরপর থেকে আমি এখানেই আছি।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল হুদা শুভ বলেন, আমি ক্যান্টিন থেকে খাবার নিয়ে বের হচ্ছিলাম। তখন খলিলুর ভাইয়ের সমর্থক শিপনের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। তখন সে আমাকে হুমকি-ধমকি দিতে থাকে। এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়। এর একটু পরই তার গ্রুপের প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন ছেলেদেরকে নিয়ে আমার কক্ষে গিয়ে ভাঙচুর চালায়। সেখানে জানালার কাঁচ এবং একটি সাউন্ড বক্স ভেঙে ফেলে। ক্যান্টিনের ঝামেলার পর আমার গ্রুপের সমর্থকদের সাথে খলিল ভাইয়ের সমর্থকদের কোনো ঝামেলা হয়নি। এরপর প্রভোস্ট বডি ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা এসেছিলেন হলে। তারা বিষয়টি আগামীকাল আলোচনা করে সমাধান করবেন বলে জানিয়েছেন। আমি এ নিয়ে একটি লিখিত অভিযোগও হল প্রাধ্যক্ষের কাছে দিয়েছি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মিজানুর রহমান তিনি জানান, আমরা ঘটনার পর পরই সেখানে যাই। আমরা আমাদের উপস্থিতিতে দুই পক্ষকেই নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে এসেছি। হল কর্তৃপক্ষ সেটা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবে। এরপর যদি হল প্রশাসন মনে করে তখন প্রক্টরিয়াল বডি সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিবে

ঘটনার সবটুকু জানেন জানিয়ে শাহপরাণ হলের ভারপ্রাপ্ত প্রভোস্ট কৌশিক সাহা বলেন, ঘটনার প্রেক্ষিতে আগামীকাল জরুরি মিটিং ডাকা হয়েছে। তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন