খেলাধূলা ডেস্ক :
আবারও ব্যর্থ বাবর-রিজওয়ান। পাওয়ারপ্লেতে তিন উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল পাকিস্তান। তবে দলকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তুললেন শাদাব খান ও ইফতিখার আহমেদ জুটি। তাদের ঝোড়ো ইনিংসে ভর করে শেষ পর্যন্ত ১৮৫ রানের বড় পুঁজি পেয়েছে তারা।
তবে পাকিস্তানের বড় স্কোর গড়ার পথে সহায়ক ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার বাজে ফিল্ডিং। বেশ কয়েকটি সহজ ক্যাচ হাতছাড়া করেছে প্রোটিয়ারা।
বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) সিডনিতে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৪৩ রানে চার উইকেট হারায় পাকিস্তান। উইকেট আরও একটা বেশি হতে পারতো, যদি ২ রানে অপরাজিত থাকা ইফতিখারকে জীবন না দিতেন প্রোটিয়া উইকেটকিপার ব্যাটার ডি কক।
জীবন পেয়ে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ফিফটি তুলে নিয়েছেন ইফতিখার আহমেদ। ৩৫ বলে ৫১ রান করে শেষ দিকে রাবাদার শিকার হন। ইফতিখারের চেয়েও বিধ্বংসী ছিলেন শাদাব। ৩ চার ও ৪ ছক্কায় মাত্র ২২ বলে ৫২ রান করেন তিনি। এ দুজনের ব্যাটে ভর করে শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৮৫ রানের বড় সংগ্রহ পায় পাকিস্তান।
ভারত ও জিম্বাবুয়ের কাছে টানা দুই হারের পর সবশেষ ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে জিতলেও পাকিস্তানের জন্য সেমিফাইনালের সমীকরণটা কঠিন হয়ে গেছে। নিভু নিভু করে জ্বলা আশার সলতেটুকু বাঁচিয়ে রাখতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয়ের বিকল্প নেই বাবর আজমদের।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা। ইনিংসের প্রথম ওভারের চতুর্থ বলেই সাজঘরে ফেরেন রিজওয়ান। ওয়েন পার্নেলের করা বল রিজওয়ানের ব্যাটের কানায় লেগে স্ট্যাম্পে গিয়ে আঘাত করে। আউট হওয়ার আগে ৪ বলে ৪ রান করেন রিজওয়ান।
বিশ্বকাপটা ভুলে যেতেই চাইবেন রিজওয়ান। আসরজুড়েই রানখরায় ভুগছেন। একদিন আগেই ভারতের সূর্যকুমার যাদবের কাছে টি-টোয়েন্টি ব্যাটিং র্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থান হারিয়েছেন।
ফখর জামানের বদলি হিসেবে দলে সুযোগ পেয়েছিলেন ২১ বছর বয়সী মোহাম্মদ হারিস। নিজের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে নেমে দারুণ শুরু পেয়েছিলেন। তবে ছন্দটা ধরে রাখতে পারেননি। এনরিখ নর্কিয়ার বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়লেন। শেষমেশ রিভিউ নিয়েও রক্ষা মিলল না। দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমে ২ চার ও ৩ ছক্কায় ১১ বলে ২৮ রান করেছেন। তার ঝোড়ো ইনিংসেই পাওয়ারপ্লেতে নিয়মিত উইকেট হারালেও রানটা থেমে থাকেনি পাকিস্তানের।
দলের বিপর্যয়ে হাল ধরতে পারলেন না বাবর আজমও। লুঙ্গি এনগিদির বলে রাবাদার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন। তার আগে ১৫ বল খেলে করেছিলেন মাত্র ৬ রান।
প্রোটিয়াদের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট পেয়েছেন এনরিখ নর্কিয়া। এছাড়া বাকিরা একটি করে উইকেট পেয়েছেন।
