হোম অর্থ ও বাণিজ্য লোডশেডিংয়ে মুখ থুবড়ে পড়েছে ‍উৎপাদন কার্যক্রম

বাণিজ্য ডেস্ক :

লোডশেডিংয়ের কবলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিসিক শিল্পনগরী। মুখ থুবড়ে পড়েছে উৎপাদন কার্যক্রম। লোকসানে পড়ে বিনিয়োগ হারাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। অনেকেই বাধ্য হয়ে ছোট করছেন ব্যবসার পরিধি। সমস্যা সমাধানে বিসিক শিল্পনগরীতে আলাদা একক লাইনের দাবি তাদের। তবে বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ কর্তৃপক্ষ নেসকো বলছে, কমপক্ষে পাঁচ মেগাওয়াট বিদুৎ চাহিদা না থাকলে একক বিদ্যুৎ লাইন দেয়া সম্ভব নয়।

১৮টি ছোট-বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান নিয়ে গড়ে উঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিসিক শিল্পনগরী। এর মধ্যে রয়েছে বহুজাতিক কোম্পানিও। কিন্তু নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের অভাবে মুখ থুবড়ে পড়ছে উৎপাদন।

ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদিনের লোডশেডিংয়ের জন্য তাদের লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে। ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রমাগত পুঁজি হারিয়ে ব্যবসার পরিসর ছোট করতে বাধ্য হচ্ছে। সংকট সমাধানে বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় আলাদা একক লাইনের দাবি তাদের।

ব্যবসায়ীরা জানান, তাদের উৎপাদন ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কমে এসেছে। এতে তাদের পণ্যের উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে যাচ্ছে। তাদের যদি সহায়তা করা হয়, তাহলে উৎপাদন বাড়বে।

আস্থা এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের স্বত্বাধিকারী রাকিবুল হাসান বাবু বলেন, ‘ঠিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ না হলে আমার পাশাপাশি বিসিক শিল্পনগরীর অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এতে চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন করা সম্ভব হবে না।’

এদিকে সংকট নিরসনে বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বিসিক কর্তৃপক্ষ। চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা বিসিক কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. রায়হান আলী বলেন, দিনে ৩-৪ বার লোডশেডিং হয়। এটি শিল্প উৎপাদনের জন্য বেশ খারাপ। এতে শিল্পোদ্যোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

এ ছাড়া নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য জেলায় নতুন একটি উপকেন্দ্র চালুর কথা জানায় বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ কর্তৃপক্ষ নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেডের (নেসকো) ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাকিউল ইসলাম।

উল্লেখ্য, জেলা বিসিক কার্যালয়ের দেয়া তথ্যমতে, ১৯৯৭ সালে জেলার বিসিক শিল্পনগরী যাত্রা শুরু করে। যার পরিসর বাড়াতে আরও ১০ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন