হোম অন্যান্যসারাদেশ যশোর শাহীন স্কুলে অসাজিক কর্মকান্ডের অভিযোগ

যশোর অফিস :

যশোর শাহীন স্কুলের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অসাজিক কর্মকা-ের অভিযোগ এলাকাবাসীর। স্কুলের অনেক শিক্ষক-শিক্ষিকা অবিবাহিত। যশোর সরকারি এম এম কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে অল্প বেতনে শিক্ষিকা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। এসব শিক্ষিকাদের সাথে শিক্ষকরা গড়ে তোলেন অবৈধ সম্পর্ক। এরপর চালান অসাজিক কর্মকান্ড। স্কুলের পিয়ন থেকে শুরু করে সর্বচ্চো পর্যয়ের কর্তা ব্যক্তি এই অসাজিক কর্মকা- চালান বলে অভিযোগ। আবার অনেক শিক্ষার্থীর মায়েদের সাথেও শিক্ষকরা সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন। এই সুসম্পর্কের জের ধরে শিক্ষর্থীদের বাসায়ও যাতাযাতের অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, যাতাযাতের সূত্র ধরেই চালান অসামাজিক কার্যকলাপ।

অভিযোগে জানা যায়, শিক্ষকদের চরিত্রের কারণে বেশ কয়েকজন অভিভাবক তাদের সন্তানদের শাহীন স্কুল থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে গেছেন। এরমধ্যে ঝিকরগাছার এক শিক্ষার্থীর মায়ের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন এক শিক্ষক। ছাত্রর মায়ের সাথে অবৈধ সম্পর্ক জানাজানি হওয়ার পর ওই সরসারে নেমে আসে মহাদুর্যোগ। একটি সংসার তছনছ হয়ে যায়। ছাত্রের বাবা-ময়ের সাথে ছাড়াছাড়ির ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে ওই ছাত্রর মা স্কুলে এসে বিয়ের দাবি করে। এ কথা জানাজানি হওয়ার পর ওই শিক্ষককে যশোর থেকে অন্যত্র বদলি করা হয়। আবার ওই শিক্ষার্থীর বাবা স্কুল থেকে তার ছেলেকে ছাড়িয়ে নিয়ে যান। স্কুলের পরিচালক ইজাজ আহমেদ এক নারীর সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলে। এঘটনাও জানাজানি হয়ে যায়। পরবর্তীতে ইজাজ আহমেদ অবৈধ সম্পর্ক সামাল দিতে বাড়ি থেকে তার স্ত্রীকে নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে ওই নারী মান-সম্মানের ভয়ে এ নিয়ে আর বাড়াবাড়ি না করে নিশ্চুপ হয়ে যান।

এ ব্যপারে জানতে চাইলে ওই পরিচালক ইজাজ আহমেদ বলেন, প্রমাণ থাকলে আপনার লিখবেন। তবে আমাদের সাথে কথা বলে লিখলে ভালো হয়। কোন কিছু মানুষের কাছ থেকে শুনে লেখা ঠিক না।

স্কুলের স্টাফ হিসাব রক্ষক কাউয়ূয়ের বিরুদ্ধে রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। তিনি স্কুলের স্টাফদের সাথে গড়ে তুলেছেন অবৈধ সম্পর্ক। কাউয়ূম স্কুল ছুটি হলেও বাড়ি না গিয়ে স্কুলেই পড়ে থাকেন। স্কুলে যখন কেউ না থাকে তখন চালান নানা রকম অসামাজিক কার্যকলাপ। শুধু তাই নয়, স্টাফদেরকে তিনি স্কুল ছুটি হলেও আটকিয়ে রাখেন। তিনি সময় সুযোগ পেলেই রঙ্গলিলায় মত্ত হয়ে পড়েন। অসুস্থ্য হলে স্টাফদেরকে আটকিয়ে রেখে নিজে সেবাযত্ন গ্রহণ করেন। ফলে এটি এখন স্কুলে না হয়ে রঙ্গলিলাখানায় পরিণত হয়েছে। এই এলাকার অভিভাবদেরকে বিভিন্ন ফায়দায় ফেলিয়ে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি মানুষের সাথে প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে শাহীন স্কুলের চেয়ারম্যানের কাছে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ করা হলেও কোন প্রতিকার পায়নি স্থানীয় মানুষ। তারা অবিলম্বে শাহীন স্কুলটি বন্ধ করে এলাকার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে প্রশাসনের কাছে।

এলাকাবাসীর দাবি, শিক্ষার মত একটি মহৎ বিষয় নিয়ে যা করছে শাহীন স্কুল তা বন্ধ হওয়া জরুরী। সেই সাথে অনৈতিক কাজের সাথে জড়িতদের শাস্তির আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি জরুরী।

এ ব্যাপারে স্কুলের অভিযোগ, তথ্য ও পরামর্শর জন্য দেওয়া ০১৬২২২২২১১১ নম্বর এ একাধিকবার মোবাইল ফোনে ফোন করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন