হোম খেলাধুলা মিরাজ-আফিফের প্রশংসায় পঞ্চমুখ তামিম

খেলাধূলা ডেস্ক :

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ জেতানোয় চতুর্দিক থেকে প্রশংসায় ভাসছেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও আফিফ হোসেন ধ্রুব। আফগান অধিনায়ক থেকে শুরু করে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন, বাংলাদেশ দলপতি তামিম ইকবালও বাদ নেই সেই তালিকা থেকে। তামিমের কাছে তো একটা পর্যায়ে জয় পাওয়া অসম্ভবই মনে হয়েছিল।

আফগানিস্তান যখন ২১৫ রানে অলআউট হয় তখন অনেকেই ভেবেছিলেন বাংলাদেশের জন্য এটি সহজ লক্ষ্য। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটিকেই কঠিন বানিয়ে ফেলে টাইগারদের টপ অর্ডার। সেই কৃতিত্ব অবশ্য আফগান পেসার ফজল হক ফারুকির।

টপ অর্ডারের পাঁচজনের মধ্যে চারজন টাইগার ব্যাটারকে একাই সাজঘরে পাঠিয়েছেন ফারুকি। তবুও জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে বাংলাদেশ। এটা তামিমের কাছে অবিশ্বাস্যই লেগেছে। এ সম্পর্কে ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে আমি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম না। ৪৫ রানে ৬ উইকেট নেই, এই অবস্থায় ২১৫ রান তাড়া করা খুব কঠিন। এ রকম পরিস্থিতিতে মিরাজ ও আফিফ যেভাবে খেলেছে সেটা অবিশ্বাস্য। ওদের নিয়ে আমি খুশি এবং গর্বিত। এটা মোটেও সহজ ছিল না।’

টপ অর্ডারদের ব্যর্থতার পর মেহেদী হাসান মিরাজ ও আফিফ হোসেন ধ্রুবই আফগানিস্তানের কাছ থেকে ম্যাচ কেড়ে এনেছেন। আফিফ-মিরাজের ব্যাট থেকে আসে ১৭৪ রান। শেষ পর্যন্ত ক্রিজে থেকে দলের জয়ও নিশ্চিত করেন তারা। অপরাজিত আফিফ শেষ পর্যন্ত ১১৫ বলে করেন ৯৩ রান। তার ইনিংসে ছিল ১১টি চার ও একটি ছয়ের মার।

অন্যদিকে মিরাজ ১২০ বলে ৮১ রানের ইনিংসে খেলেছেন ৯টি চারের মার। তামিমও কার্পণ্য করছেন না মিরাজ-আফিফের প্রতি। তিনি বলেন, ‘আফগানিস্তানের দুর্দান্ত স্পিন আক্রমণ ওরা যেভাবে সামলেছে সেটা বিস্ময়কর। আমার বিশ্বাস এবং আশা এটাই শেষ নয়, এটা ওদের জন্য মাত্র শুরু। ওদের আরও অনেক ম্যাচ জিততে হবে।’

প্রসঙ্গত, এ ম্যাচে আফগানদের দেওয়া ২১৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৪ উইকেটে জিতেছে বাংলাদেশ। আফিফ-মিরাজ ছাড়া বাকিদের মধ্যে সাকিব ১০, তামিম ও মাহমুদউল্লাহ ৮ রান করে তুলেন। আফগানিস্তানের হয়ে একাই চার উইকেট নেন ফজল হক ফারুকি।

এর আগে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২১৫ রান করেছিল সফরকারী দল। দলের দুই ওপেনারকে যখন মুস্তাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলাম ফিরিয়ে দেন তখন কিছুটা হাল ধরার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন রহমত শাহ, হাশমতউল্লাহ শহিদিরা।

রহমত ৩৪ ও শহিদি স্কোর বোর্ডে ২৮ রান যোগ করেন। এরপর নাজিবুল্লাহ জাদরান স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে খেলেন ৬৭ রানের এক ইনিংস। বাকিদের মধ্যে মোহাম্মদ নবি ২০ ও গুলবাদিন নাইব ১৭ রান করেন। বাংলাদেশের হয়ে তিন উইকেট নেন মুস্তাফিজ। দুটি করে উইকেট পান তাসকিন, সাকিব ও শরিফুল ইসলাম।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন