হোম ফিচার মঙ্গলগ্রহে বায়ুর প্রভাব!

বিনোদন ডেস্ক :

বরাবরই মঙ্গলগ্রহের আশ্চর্য-সব ছবি প্রকাশ করে থাকে ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সি। তারই জের ধরে মঙ্গলগ্রহের পৃষ্ঠদেশের আরেকটি ছবি প্রকাশ করেছে এজেন্সিটি।

ছবিটির সঙ্গে বিস্তারিত জানানো হয়েছে লাল গ্রহের পৃষ্ঠদেশে বায়ুপ্রবাহ ঠিক কীরূপ প্রভাব ফেলে। তা ছাড়া বায়ুর প্রভাবে মঙ্গলগ্রহের পৃষ্ঠদেশে কীভাবে ভাস্কর্য তৈরি হয়, সেটাই প্রকাশ পেয়েছে ছবিতে। লাল গ্রহের দক্ষিণ ভাগের হাইল্যান্ড বা উচ্চ এলাকায় রয়েছে হুক ক্রেটার।

ছবিটি তোলা হয়েছে অরবিট থেকে ইএসএ এবং রোসকসমসের এক্সোমার্স ট্রেস গ্যাস অরবিটারের মাধ্যমে। ছবিটিতে যে কৃত্রিম রং দেখা যাচ্ছে, সেগুলো টিজিওর ক্যাসিস ক্যামেরার মাধ্যমে ব্যবহৃত হয়েছে। লাল গ্রহের পৃষ্ঠদেশের খনিজ উপাদান ইনফ্রারেড ওয়েভ লেংথে দেখা গিয়েছে।

মঙ্গলগ্রহের ওপর বিভিন্ন প্রাকৃতিক গঠন তৈরি হয় অত্যন্ত পাতলা বায়ুমণ্ডল, শক্তিশালী বায়ুপ্রবাহ এবং প্রচুর ধুলো একত্রিত হয়ে। ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সি বা ইএসএ ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ করেছে ছবিটি। সেখানে বায়ুপ্রবাহের ফলে সৃষ্ট বিভিন্ন গঠন দেখা যাচ্ছে।

এর মধ্যে রয়েছে বিশৃঙ্খল ঢিবি বা বায়ুপ্রবাহের ফলে সৃষ্ট ঢেউয়ের মতো একপ্রকার জিনিস এবং ধুলোর গতিপথ। মঙ্গলগ্রহের দক্ষিণ ভাগের উঁচু এলাকায় হুক ক্রেটার বা গহ্বরের কাছে এরূপ চিত্র দেখা যায়। এ ধরনের বিশৃঙ্খল ভূখণ্ডের মতো দৃশ্য মঙ্গলগ্রহজুড়েই দেখা যায়।

ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকে বিভিন্ন আকার আয়তনের পাথর। এর ফলে বিঘ্নিত হয় টোপোগ্রাফি। এ ছাড়াও দেখা যায়, কনিকাল বা শঙ্কু আকৃতির ঢিবি, রিজ, সমতল শীর্ষযুক্ত পাহাড় যা পরিচিত মেসা নামে। মাঝেমধ্যেই মঙ্গলগ্রহের অদ্ভুত চমকপ্রদ সব ছবি প্রকাশ করে থাকে এজেন্সিটি।

কিছুদিন আগে তারা এমন একটি ছবি প্রকাশ করেছিল, যা দেখে মনে হচ্ছিল, ওভেনে রেড ভেলভেট কেক। মঙ্গলগ্রহের পৃষ্ঠদেশে এমন দৃশ্য দেখা গিয়েছে। ছবিটি ধরা পড়েছিল ট্রেস গ্যাস অরবিটার বা টিজিওতে। সেই ছবিটি দেখে ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সির বৈজ্ঞানিকরাও অবাক হয়েছিলেন। তবে গাঢ় লালচে আভাটা ছিল রুক্ষ মাটি এবং সাদা গুঁড়ো বস্তু হচ্ছে সেখানকার ওয়াটার আইস।

 

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন