হোম এক্সক্লুসিভ বেনাপোলে প্রতিটি ফলের ট্রাক রাজস্ব ফাঁকি দেড় লক্ষ টাকা; যানজটের কারনে ফলের ট্রাক এখন ভোমরায়

বেনাপোলে প্রতিটি ফলের ট্রাক রাজস্ব ফাঁকি দেড় লক্ষ টাকা; যানজটের কারনে ফলের ট্রাক এখন ভোমরায়

কর্তৃক Editor
০ মন্তব্য 222 ভিউজ

সংকল্প ডেস্ক:

‘‘ওজনে সুবিধা পেয়ে বেনাপোল ছেড়ে ভোমরামুখী ফল আমদানীকারকরা’’ শীষক শিরোনামে কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদটি ভোমরা স্থলবন্দর আমদানী ও রপ্তানীকারক এ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি গোচর হয়েছে। ভোমরা স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের ওয়েব্রীজের স্কেল স্লিপ টেম্পারিং করে একটি অসত্য প্রতেবেদন প্রকাশ করায় অত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বিষ্ময় প্রকাশ করেছে।

প্রকৃত ঘটনা এই যে, চলতি মাসে বেনাপোল বন্দরের বিপরীতে ভারতের পেট্রাপোলে সিরিয়াল জটিলতা ও তীব্র যানজটের কারনে আমদানীকারকরা ভারতীয় ফল জাতীয় পন্য ভোমরা বন্দর দিয়ে আমদানী করতে কিছুটা আগ্রহী হয়ে উঠেছে। যার কারনে আমদানী কারকদের বোনাপোল বন্দরের তুলনায় ভোমরা বন্দরে প্রতি ট্রাকে এক থেকে দেড় লক্ষ টাকা সরকারী শুল্ক জমা দিতে হচ্ছে। কারন বেনাপোল বন্দরে প্রতিটি ভারতীয় ট্রাকে টি আর ওজন বাবদ তিন থেকে সাড়ে তিন টন বাদ দিয়ে নীট পন্যের ওজন নির্ধারন করা হয়। অপরদিকে, ভোমরা বন্দরে প্রতিটি ভারতীয় ফলের ট্রাকে টি আর ওজন বাবদ সর্বোচ্চ ২ টন বাদ দিয়ে নীট পন্যের ওজন নির্ধারিত হয়। ফলে প্রতি ট্রাকে সর্বোচ্চ দেড় টনের শুল্ক ছাড় পাওয়ার কারনে প্রায় ৩ বছর ধরে আমদানীকারকরা বেনাপোল বন্দর ব্যবহার করে আসছে। অর্থাৎ সমপরিমান ওজনের ফলের ট্রাকে বেনাপোল ও ভোমরা বন্দরের মধ্যে সরকারী রাজস্বের ব্যবধান থাকে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা।

ভৌগলিক কারনে ভোমরা বন্দর দিয়ে ফল, মাছ ও পানসহ পচনশীল পন্য দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশের অভ্যন্তরে বাজারজাত করা সম্ভব। কিন্তু বেনাপোল ও ভোমরা বন্দরে টি আর ওজনের বৈষম্যের কারনে আমদানীকারকরা ভারতীয় ফল জাতীয় পন্য আমদানী করতে গত তিন বছর ধরে বেনাপোল বন্দর ব্যবহার করে আসছে। কিন্তু একটি অসাধু চক্র গত ২০/০৩/২০২৪ ইং তারিখে ভোমরা বন্দরের স্কেল স্লিপ টেম্পারিং করে গনমাধ্যম কর্মীদের ভুল বুঝিয়ে শুল্ক ফাঁকির যে কল্পকাহিনী রচনা করেছে তার সাথে বাস্তবতার কোন মিল নেই। চলতি মাসে ভোমরা ও বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানী জাত ফলের রাজস্ব পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে প্রতি ট্রাকের রাজস্বের ব্যবধান এক লক্ষ থেকে দেড় লক্ষ টাকা। ভোমরা বন্দরে স্কেল ও টি আর ওজনের কোন প্রকার কারচুপির সুযোগ নেই। তারপরও একটি চক্র টেম্পারিং করা স্কেল স্লিপ ব্যবহার করে সংবাদকর্মীদের দিয়ে গনমাধ্যমে অসত্য সংবাদ প্রকাশ করায় আমদানী ও রপ্তানী কারক এ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন