বাণিজ্য ডেস্ক :
দেশের পুঁজিবাজারের টানা দরপতন ঠেকাতে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে আবার দরপতনের সর্বনিম্ন সীমা বা ফ্লোর প্রাইস নির্ধারণ করে দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জে কমিশন (বিএসইসি)। এতে কোনো শেয়ারের দাম নির্ধারিত দামের নিচে নামতে পারবে না।
বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
আগামী রোববার (৩১ জুলাই) থেকে নতুন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
বিএসইসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, চলমান ক্ষতি থেকে বিনিয়োগকারীদের রক্ষায় নতুন করে প্রতিটি সিকিউরিটিজের ফ্লোর প্রাইস আরোপ করা হলো। ফ্লোর প্রাইসের দর সবশেষ ৫ দিনের ক্লোজিং প্রাইসের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হবে।
ফলে রোববার থেকে সিকিউরিটিজের দর স্বাভাবিক হারে ওঠানামা করতে পারবে এবং ফ্লোর প্রাইসের নিচে নামতে পারবে না। কোম্পানির বোনাস শেয়ার বা রাইট শেয়ারের কারণে ফ্লোর প্রাইসে থাকা সিকিউরিটিজের দর সমন্বয় হবে। এ ছাড়া নতুন শেয়ারের ক্ষেত্রে প্রথম দিনের লেনদেনের ক্লোজিং প্রাইসকেই ফ্লোর প্রাইস হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
এর আগে ২০২০ সালের ১৯ মার্চ পুঁজিবাজারের পতন ঠেকাতে ফ্লোর প্রাইস বসানো হয়েছিল। ওই সময় ডিএসইর প্রধান সূচকটি ৩ হাজার ৬০৪ পয়েন্টে নেমে এসেছিল। পরে ২০২১ সালের ৭ এপ্রিল ৬৬টি কোম্পানি থেকে ফ্লোর প্রাইসের নির্দেশনা প্রত্যাহার করে নেয় কমিশন। পরে একই বছরের ৩ জুন ফ্লোর প্রাইসে থাকা বাকি ৩০ কোম্পানি থেকে নির্দেশনাটি তুলে নেয় বিএসইসি। ২০২১ সালের ১৭ জুন পুঁজিবাজার থেকে পুরোপুরি ফ্লোর প্রাইস তুলে দেয়া হয়।
এরপর ২০২১ সালের ১০ অক্টোবর সূচকটি বেড়ে ৭ হাজার ৩৬৮ পয়েন্টের সর্বোচ্চ সীমায় উঠে যায়। তবে সম্প্রতি দেশের পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক দরপতন পরিলক্ষিত হয়েছে।
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবারে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সেচেঞ্জের (ডিএসই) ডিএসইএক্স সূচক ৫৭ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৯৮০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। এ ছাড়া অপর দুই সূচকের মধ্যে ভালো প্রতিষ্ঠান নিয়ে গঠিত ডিএস-৩০ সূচক ১৭ পয়েন্টে কমেছে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১১ পয়েন্টে হ্রাস পেয়েছে।
