জাতীয় ডেস্ক :
পাবনার ঈশ্বরদীতে মিঠুন হত্যা মামলায় জবা খাতুন নামে এক নারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৩ মে) দুপুরে পাবনার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আহসান তারেক এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত জবা খাতুন উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের আড়কান্দি পতিরাজপুর গ্রামের জালাল প্রামাণিকের মেয়ে। এ মামলার প্রধান আসামি জবার স্বামী সাগর কারাগারে মারা গেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ৪ আগস্ট ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া এলাকা থেকে অটোরিকশা চালক মিঠুনকে (২৮) বাড়ি থেকে ডেকে নেন জবা ও তার স্বামী সাগর। ঈশ্বরদীর বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাঘুরির পর রাতে সুগারক্রপ গবেষণা কেন্দ্রের পাশে নির্জন এলাকায় জবার সহযোগিতায় দা দিয়ে মিঠুনকে কুপিয়ে হত্যা করেন সাগর। পরে তারা মরদেহ ফেলে অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার আট দিন পর ওই স্থান থেকে মিঠুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মামলা দায়েরের পর পুলিশের তদন্তে জবা ও সাগরের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়। পরে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সাগর ও জবা জানান, মিঠুন জবাকে উত্ত্যক্ত করায় পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করেছেন তারা।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী দেওয়ান মজনুল হক জানান, মামলার শুনানি ও যুক্তিতর্কে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আজ এই রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি জবা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কারাগারে নিয়েছে পুলিশ।
