হোম এক্সক্লুসিভ পাওনা টাকা আদায়ের জন্য চট্টগ্রামের এক প্রতারক ব্যবসায়ীকে আটকে রেখে অপহরন মামলায় ফেঁসে গেলেন মাকসুদ খান

পাওনা টাকা আদায়ের জন্য চট্টগ্রামের এক প্রতারক ব্যবসায়ীকে আটকে রেখে অপহরন মামলায় ফেঁসে গেলেন মাকসুদ খান

কর্তৃক Editor
০ মন্তব্য 329 ভিউজ

নিজস্ব প্রতিনিধি:

পাওনা টাকা আদায়ের জন্য চট্টগ্রামের এক প্রতারক ব্যবসায়ীকে আটকে রেখে অপহরন মামলায় ফেঁসে গেলেন সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ খান । প্রতারক ব্যবসায়ী চট্টগ্রামের সাউদ সাদাতের দায়ের করা মামলায় সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ মাকসুদ খান ও তার ম্যানেজার মহসিনকে গ্রেপ্তার করেছে । শুক্রবার সন্ধ্যায় পুলিশ ভোমরা স্থলবন্দরস্থ মাকসুদ খানের ম্যানেজার মহসিনের ভাড়া বাসা থেকে প্রতারক সাউদ সাদাতকে উদ্ধার করে। এসময় পুলিশ মহসিনকে ও গ্রেপ্তার করে। আজ শনিবার প্রতারক সাউদ সাদাত বাদী হয়ে মাকসুদ খান সহ পাঁচ জনকে আসামী করে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করলে পুলিশ ভোমরা স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ খানকে গ্রেপ্তার করে।

মাকসুদ খান সাতক্ষীরা পৌরসভার কাটিয়া মাস্টারপাড়া এলাকার মাস্টার মাহফুজুর রহমানের ছেলে। আর শুক্রবার রাতে আটক হওয়া মহসিন আলী সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা গ্রামের বাসিন্দা।

সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মোহিদুল ইসলাম জানান, চট্রগ্রামের ব্যবসায়ী সাউদ সাদাতকে ১৩ দিন ধরে ভোমরাস্থ মাকসুদ খানের ম্যানেজারের বাড়িতে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ উঠে । গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় সাউদ সাদাতকে উদ্ধার করা হয়। এসময় আটক করা হয় তারে ম্যানেজার মহসিন আলীকে। শনিবার সকালে সাউদ সাদাত বাদী হয়ে ১৬৫ ধারায় সাতক্ষীরা সদর থানায় মাকসুদ খাঁন ও ম্যানেজার মহসিন আলী,কর্মচারী আকাশ হোসেন, রাকিব হোসেন ও আজিজুল ইসলাম টপিকে আসামী করে একটি মামলা করেন। মামলার প্রেক্ষিতে মাকসুদ খাঁনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এএসএম মাকসুদ খান জানান, সাউদ সাদাতের সাথে চারমাস ধরে ব্যবসা চলছিল। লেনদেনও ভালো ছিল। তবে কোরবানি ঈদের দশদিন আগে তার কাছ থেকে এক কোটি ২৩ লাখ টাকার শুকনা মরিচ, রসুন, পেয়াজ নিয়ে আর টাকা দেননি তিনি। এবিষয়ে চট্টগ্রামের হাটহাজারি থানা ও সাতক্ষীরা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়। প্রথমে বিশ্বাস অর্জন করে পরবর্তীতে সে টাকা না দেওয়ার জন্য টালবাহানা শুরু করে। এধরনের প্রতারক চক্রের কারনে ভোমরা বন্দরের অনেক ব্যবসায়ী সর্বোশান্ত হয়ে গেছে।

প্রতারক ঐ ব্যাবসায়ীকে আটকে রাখার বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি বলেন, আমার ম্যানেজারের সাথে একসাথে একরুমে থাকতো, খাওয়া-দাওয়া করতো। ১৭ সেপ্টেম্বর রোববার তার পাওনা ৫০লাখ টাকা দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেটা যাতে না দিতে হয় সেজন্য তিনি এই অপহরণের নাটক তৈরী করেছেন ।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন