হোম ফিচার নড়াইল সদরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের টিকেট পেতে ১৩টি ইউনিয়ন ১১০জন মনোয়ন প্রত্যাশীদের চুড়ান্ত সিদ্ধানের অপেক্ষায়

নড়াইল অফিস :

নড়াইলে উৎসব মুখর পরিবেশে নিজেদের মনোয়ন জমা দিলেন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের টিকেট প্রত্যাশীরা। জেলা আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত মোতাবেক মনোয়ন দাখিলের শেষ দিন রবিবার ।

জেলা কার্যালয়ে প্রার্থীরা কর্মী, সমর্থদের সঙ্গে নিয়ে যার যার মনেয়নপত্র জমা দেন। সদর উপজেলায় ১৩ ইউনিয়ন থেকে এ পর্যন্ত মোট ১১০টি মনোয়ন জমা পড়েছে। কোন ইউনিয়ন থেকে কাকে চুড়ান্ত করা হবে এখন শুধু অপেক্ষার পালা । নীজের পক্ষে মনোয়ন পেতে প্রার্থীরা বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সাথে যোগাযোগ করে চলেছেন।

আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্র জানায়, নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী নড়াইল সদর উপজেলার সবকটি ইউনিয়ন পরিষদে আগামী ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে যাচ্ছে। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ থেকে এবারো দলীয় নৌকা প্রতিকে প্রতিদ্ব›দ্বীতার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সেই প্রেক্ষিতে নড়াইল সদরের মোট ১৩টি ইউনিয়নে দলীয় টিকিটে নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহীদের মাঝে গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে মনোয়ন ফরম বিতরণ ও সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়। এ জন্য সময় বেধে দেয়া হয় রবিবার (৩ অক্টোবর) পর্যন্ত।

এ উপলক্ষে শহরের পুরাতন বাস টার্মিনামে জেলা কার্যালয়কে ঘিরে ছিল উৎসবের আমেজ। সকাল থেকে সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে দলে দলে সমবেত হন। নিজ প্রার্থীর পক্ষে তাদের স্লোগান করোতালিতে মুখর হয়ে ওঠে আওয়ামী লীগ কার্যালয়।

শেষ দিন কয়েকটি ইউনিয়নের মনোয়ন প্রত্যাশীরা তাদের সংগ্রহকৃত মনোয়ন ফরম পূরন করে দলের নিকট জমা দেন। ১৩ ইউনিয়ন থেকে এ পর্যন্ত মোট ১১০টি মনোয়ন জমা পড়েছে।

এ সব মনোয়ন জেলা ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ যাচাই বাছাই শেষে চুড়ান্ত সিদ্ধানের জন্য আগামী ৬ অক্টোবরের মধ্যে কেন্দ্রে প্রেরণ করবে।

আওয়ামীলীগ সূত্রে জানা গেছে,গত ৫ বছর ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে সুনামের সাথে যারা ইউনিয়ন ও দলীয় কর্মকান্ড পরিচালনা করেছেন তারাই মনোনয়ন পাবেন। গত ইউপি নির্বাচনে আওয়ামীলীগের অনেক জনপ্রিয় নেতা দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে ভোটে জিতেছেন।

সেই রকম একজন জনপ্রিয় বিদ্রোহী প্রার্থী এবার তিনি দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী, শাহাবাদ ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন পান্না বলেন,জনপ্রিয়তা বিচার না করেই গতবার দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছিল,আমি চেয়ারম্যান হিসেবে যথেষ্ট সুনামের সাথেই ইউপি এবং দলীয় কর্মকান্ড পরিচালনা করেছি, আমি বিদ্রোহী নাম ঘুচাতে চাই। আমার দাবী আমাকে এবার মনোয়ন দেয়া হোক । আমি দলের ও ইউনিয়নের জন্য কাজ করবো।

জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নিজামউদ্দিন খান নিলু বলেন,এবারে তৃনমূল থেকে কোন নির্বাচন হয়নি,যারা নির্বাচনে আগ্রহী তারাই ফরম পূরন করে জমা দিয়েছে,আমরা সকলের নামই এখান থেকে কেন্দ্রে পাঠিয়েছি।

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন