মোস্তফা কামাল, নড়াইল :
নড়াইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্র্থী ফয়জুল আমীর লিটুর সমর্থনকারী ও প্রস্তাবকারীকে প্রশাসনের সামনে মারধর করে অহত করার প্রতিবাদে সংবাদ সস্মেলন করেছেন। ২৯ সেপ্টেমবর দুপুরে শহরের আলাদতপুরের নিজ বাড়িতে তিনি এ সংবাদ সম্মেলন করেন । এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মুক্তিযোদ্ধার সস্তান মোঃ শরিফুল ইসলাম.আউড়িয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ও শ্রমিক নেতা মোঃ আজিম বেগ সহ আরো অনেকে।
লিখিত বক্তব্যে সৈয়দ ফয়জুল আমির লিটু বলেন,আমি নড়াইল জেলা পরিষদ নির্বাচন ২০২২ স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী। নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ি গত সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ প্রতিক বরাদ্দের দিন ছিল। ঐদিন আমি নির্বাচনী এলাকার বাইরে থাকায় বেলা ১২টার দিকে আমার অনুপস্থিতিতে আমার সমর্থনকারি, প্রস্তাবকারিসহ কয়েকজন লোক রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসকের এর সম্মেলন কক্ষে প্রতিক বরাদ্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন
গনমাধ্যমে মাধ্যমে অবহিত হই যে, প্রতিক বরাদ্দের অনুষ্ঠানে নির্বাচনী কাজে দায়িত্বে থাকা সকল কর্মকর্তার উপস্থিতিতে নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে আমার প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস তার সমর্থিত লোকজন দ্বারা আমার সমর্থনকারী ও প্রস্তাবকাকীসহ অন্যান্য লোকজনের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে কয়েকজনকে আহত করে এবং সরকারি সম্পদ নষ্ট করে। যেটা ডিসি অফিসের সম্মেলন কক্ষে চারটি সিসিটিভি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজে এবং ঘটনাস্থালে সাংবাদিকদের ভিডিও ফুটেজ এবং প্রকাশিত সংবাদপত্রে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সুবাস চন্দ্র বোসের সন্ত্রাসী লোকজন আমার লোকজনকে হত্যার হুমকি ও ভয়ভিতি প্রদর্শন করে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। পরে ডিসি অফিসের হলরুম থেকে আমার সমর্থনকারি, প্রস্তাবকারীসহ সাথে থাকা লোকজন পুলিশের সহায়তায় শহর ত্যাগ করতে করে। আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সুবাস চন্দ্র বোস নির্বাচন আচারণ বিধি ধারা-১৮ এর (ক) এবং (গ) লঙ্ঘন করেছেন ।
সৈয়দ ফয়জুল আমির লিটু আরো বলেন, ২৩ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকালে সরকারি উন্নয়ন কর্মসূচির প্রায় ৬ কোটি ব্যয়ে ‘লাল পুকুর বিউটিফিকেশন’ প্রকল্প কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস যোগদান করেন যা নির্বাচন বিধিমালার ২৩-ধারা লঙ্ঘন করেছেন। সুতরাং আমি মনে করি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস এ ধারনের কর্মকান্ড সংঘটিত করায় জেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালার ধারা-১৮ এর (ক) এবং (গ) ও ২৩ ধারা সমূহ লঙ্ঘন করেছেন। আমি জেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালার ধারা-৩১ মোতাবেক তার বিচারের দাবী জানাচ্ছি। প্রশাসনের প্রতি আবেদন আগামি ১৭ অক্টোবর জেলা পরিষদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও প্রভাবমুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।
