হোম খুলনানড়াইল নড়াইলে কৃষি উদ্যোক্তাকে ফাঁসাতে নানা চক্রান্ত” নেপথ্যে চাঁদাবাজি ও মাটি না দেওয়ার ক্ষোভ

নড়াইলে কৃষি উদ্যোক্তাকে ফাঁসাতে নানা চক্রান্ত” নেপথ্যে চাঁদাবাজি ও মাটি না দেওয়ার ক্ষোভ

কর্তৃক Editor
০ মন্তব্য 34 ভিউজ

নড়াইল প্রতিনিধি:

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার মোচড়া গ্রামে এক সফল কৃষি উদ্যোক্তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে নানা চক্রান্তে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র এক ইটভাটা মালিকের অনৈতিক দাবি পূরণ না করায় এই ষড়যন্ত্র করা হয়েছে বলে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে।

গত ২৬ জানুয়ারি মোচড়া বিলে কিছু বহিরাগত ব্যক্তি জড়ো করে একটি মানববন্ধন করানো হয়। সেখানে দাবি করা হয়, কৃষি উদ্যোক্তা রফিক শেখপ্রাইড এগ্রো কম্বাইন্ড ফার্মনামে রিসোর্ট মাছের ঘের নির্মাণের অজুহাতে তিন ফসলি জমি দখল, মাটি ভরাট বাঁধ দিয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছেন।

এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে গণমাধ্যমকর্মীরা সরেজমিনে ওই এলাকায় যায়। স্থানীয় বাসিন্দা এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলে পাওয়া যায় চাঞ্চল্যকর তথ্য। অনুসন্ধানে জানা যায়, স্থানীয় বেকার যুবক মইদুল হাসান রাজু এবং পার্শ্ববর্তীআগুনইটভাটার মালিক মান্নান মোল্যা দীর্ঘদিন ধরে রফিক শেখের কাছে অনৈতিক সুবিধা দাবি করে আসছিলেন। রাজু মোটা অঙ্কের চাঁদা এবং মান্নান তার ইটভাটার জন্য ওই কৃষি প্রকল্পের মাটি দাবি করেন। রফিক শেখ এই আবদার প্রত্যাখ্যান করায় তাকে ফাঁসাতে দুবার গোপন বৈঠক করে নীল নকশা সাজানো হয়।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া আনোয়ারের ছেলে নয়ন বলেন, “আমি মাঠে ধান রোপণ করতে গিয়েছিলাম। তখন মানববন্ধনকারীরা আমাকে জোরপূর্বক ব্যানার ধরিয়ে দিয়ে রফিকের বিরুদ্ধে কথা বলতে বাধ্য করে। ভয়ে আমি তাদের শেখানো কথা বলি।

স্থানীয় কৃষক বাসিন্দা শাহাদত হোসেন ও  রাসেল জানান, রফিক শেখের প্রজেক্টের কারণে কোনো জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়নি। বরং রফিক শেখ নিজের জায়গার ওপর দিয়ে তাদের চলাচলের জন্য রাস্তা করে দিয়েছেন। কৃষকদের উল্টো অভিযোগ, মান্নান মোল্যার ইটভাটার কালো ধোঁয়ায় ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে এবং শিশুদের শ্বাসকষ্টসহ নানা স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

কৃষি উদ্যোক্তা রফিক শেখ বলেন, “আমি বৈধভাবে জমি ক্রয় লিজ নিয়েপ্রাইড এগ্রো কম্বাইন্ড ফার্মগড়ে তুলেছি। এখানে সমন্বিতভাবে মাছ সবজি চাষ হচ্ছে, যা স্থানীয় বেকারদের কর্মসংস্থান করেছে। রাজু আমার কাছে চাঁদা চেয়েছিল এবং মান্নান মাটি চেয়েছিল। তা না দেওয়ায় তারা বহিরাগত লোক ভাড়া করে এনে আমাকেভূমিদস্যুআখ্যা দিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।

বিষয়ে জানতে চাইলে ইটভাটা মালিক মান্নান মোল্যা রফিক শেখের অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুললেও নিজের ইটভাটার প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। প্রভাব খাটিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইটভাটা পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, অভিযুক্ত মইদুল হাসান রাজুর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন