জাতীয় ডেস্ক :
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় ধানক্ষেত থেকে একরামুল হক (৫৬) নামে এক ভাঙারি ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১৩ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় খানসামা উপজেলার ভুল্লি গ্রামের ধানক্ষেত থেকে ওই ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত একরামুল হক উপজেলার তেলিপাড়া গ্রামের ঘটু মিয়ার ছেলে। তিনি পুলহাট বাজারসহ বিভিন্ন গ্রামে ফেরি করে ভাঙারি মালামাল কিনতেন।
দিনাজপুর খানসামা পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান জানান, দুপুর ১২টায় উপজেলার ভুল্লি গ্রামের ধানক্ষেতে একরামুল হকের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিহতের ছেলে অহিদুল ইসলাম জানান, গত শনিবার সকাল ৮টায় একরামুল হক বাড়ি থেকে বের হন ব্যবসার উদ্দেশ্যে। গ্রামে ঘুরে ঘুরে সন্ধ্যার পর পুলহাট বাজারে দোকান করার পর ভ্যান রেখে নিখোঁজ হন। রাতে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে খোঁজখবর নিয়ে কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি তার। রোববার দুপুর ১২টায় লোকমুখে জানতে পারেন তার বাবার মরদেহ ধানক্ষেতে পড়ে আছে। বাবার হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন তিনি।
খানসামা উপজেলার গোয়ালডিহি ইউপি চেয়ারম্যান সাওখায়াত হোসেন লিটন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি হত্যাকাণ্ড। তিনি সারা দিন গ্রামে গ্রামে ঘুরে ভাঙারি মালামাল সংগ্রহ করে ঝালমুড়ি, কটকটি, বাদামসহ বিভিন্ন খাদ্য বিক্রি করতেন। এ ছাড়াও তিনি প্রতিদিন সন্ধ্যায় ও রাতে পুলহাট বাজারসহ বিভিন্ন হাটবাজারে ঝালমুড়ি বিক্রি করে সংসার চালাতেন।
