হোম অন্যান্যসারাদেশ দেবহাটায় প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রের শিকার বীর মুক্তিযোদ্ধা আনছার আলী

দেবহাটা প্রতিনিধি :

পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন দেবহাটার বীর মুক্তিযোদ্ধা আনছার আলী (৬৮)। তিনি উপজেলার বসন্তপুর গ্রামের মৃত শহর আলী গাজীর ছেলে। তার গেজেট নম্বর ৭৯৬। ১৯৮৭ সালের ২৪ জানুয়ারী হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের শাসনামলে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় প্রকাশিত বাংলাদেশের প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের খসড়া তালিকায় ২১ নং সিরিয়ালে রয়েছে আনছার আলীর নাম। ২০০৫ সালের ২৭ জুন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের প্রকাশিত বেসামরিক গেজেটের ৬৯৪৩ নং পাতায় ২০১ নং সিরিয়ালেও বীর মুক্তিযোদ্ধা আনছার আলীর নাম রয়েছে। ২০০৪ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয় থেকে তাকে সাময়িক সনদপত্র প্রদান করা হয় এবং সর্বশেষ গত বছর জামুকা থেকে যে যাচাই বাছাই করা হয় সেখানে সরকার নির্ধারিত যাচাই বাছাই কমিটির সকলের মতামতের ভিত্তিতে ২৫৮ নং ক্রমিকে ০১৮৭০০০৪৫০১ নং পরিচিতি নম্বরে রয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা আনছার আলী। এছাড়া ১৯৯৪, ১৯৯৭, ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রত্যেকটি ভোটার তালিকা বিশ্লেষন করলেও তার নাম পাওয়া যায়। ১৯৭১ সালে ভারতের টাকী থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে ব্যাংদহা, চুকনগরসহ বিভিন্ন স্থানে পাকিস্থানী বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করেন তিনি।

একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবন বাজি রাখা এ বীর সেনানীকে ‘ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা’ সাজাতে উঠেপড়ে লেগেছেন তার প্রতিপক্ষরা। পূর্ববর্তী মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের নির্বাচন সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রতিপক্ষের সাথে বিরোধ রয়েছে মুক্তিযোদ্ধা আনছার আলীর। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে ইছামতি নদীতে মাছ ধরার নেট জাল ফেলাকে কেন্দ্র করে বসন্তপুরের মৃত দৌলত পাড়ের ছেলে জামায়াত কর্মী মোহর মিস্ত্রির সাথে শত্রুতা চলে আসছিল তার। মোহর মিস্ত্রিসহ তার প্রতিপক্ষদের কুমন্ত্রনায় কতিপয় মুক্তিযোদ্ধা সম্প্রতি আনছার আলীর বিরুদ্ধে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে ষড়যন্ত্র মুলোক মিথ্যা অভিযোগ দায়ের এবং অপপ্রচার চালিয়ে তাকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সাজানোর অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ আনছার আলী ও তার পরিবারের। এব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন