আশাশুনি প্রতিনিধি :
আশাশুনিতে শিশু গ্যাং বেপরোয়া হয়ে উঠেছে তিন দফায় ধাওয়া পালটা ধাওয়া মারামারির ঘটনায় ০৩ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গতকাল এ ঘটনাটি ঘটেছে আশাশুনি থানা ও জনতা ব্যাংক সড়কে আশাশুনি সরকারী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে।
একটি স্কুলের মেয়েকে নিয়ে উঠতি বয়সি শিশুদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির কারনকে কেন্দ্র করে দুই জনের মধ্যে বিরোধে জড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে এক কথা কাটাকাটির এক পর্যায় এক দল শিশুরা দুই জনের পক্ষ নিয়ে তিন দফা ধাওয়া পালটা ধাওয়ার এক পর্যায় মারপিটের ঘটনায় জড়িয়ে পড়ে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়।
আহতদের মধ্যে একজন কেন ঠেকালো সে কারনে তাকে ফাকা পেয়ে পরে শিশু গ্যাং তাকে জনতা ব্যাংকের সামনে পথরোধ করে এলোপাপতাড়ী ভাবে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। এঘটনায় আশাশুনি বাজারে বিভিন্ন কাজে আসা ও স্থানীয় লোকজন হতবাক হয়েছে।
এলাকাবাসি বলছে আগামী দিনে দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম উঠতি বয়সি এই শিশুরা যদি এ ধরনের কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে তাহলে ওদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। সচেতন মহল এ প্রতিবেদককে বলছে। মহামারি করোনা ভাইরাসের কারনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকায় এই গ্যাং এর জন্ম হয়েছে।
তাছাড়া সাংস্কৃতিক চর্চা, খেলাধুলা ও বিনোদন কেন্দ্র না থাকায় এসব শিশুরা ঝুকেছে ফেইসবুকে। ফলে একত্রিত হয়ে বিভিন্ন স্থানে বসে মোবাইলে ফেইসবুকে বিভিন্ন মারপিটের ছবি, গেইম সহ অশ্লীল ভিডিও দেখে মেয়েলী ঘটনা নিয়ে এ ধরনের কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ছে তারা।
দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও তেমন সমস্যা হয়নি যদি অভিভাবকরা সচেতন থাকতো ও যদি সাংস্কৃতিক চর্চা, খেলাধুলা ও বিনোদন কেন্দ্র না থাকতো তাহলে শিশুরা এসব নিয়ে ব্যস্ত থাকতো। তাহলে তাদের মাথার মধ্যে খারাপ কর্মকান্ডে বাসা বাধতে পারতো না। শিশুদের এ বেপরোয়া কর্মকান্ড প্রতিরোধে আইন শৃংখলা বাহীনির জরুরী পদক্ষেপ নেওয়া অতি জরুরী হয়ে পড়েছে ও অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।
