সংকল্প পত্রিকায় বিগত ০৫/১০/২০২০ সংখ্যায় প্রকাশিত তালায় খলিষখালিতে ঋণের কিস্তি দিতে না পারায় এনজিও কর্মীর হাতে ঋণ গ্রহীতা লাঞ্চিত শিরনামের সংবাদ দেখে বিস্মিত হয়েছি। সংবাদ দাতা মিথ্যা, ভিত্তিহীন উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে সংবাদটি পরিবেশন করেছেন। যে নারীকে কেন্দ্র করে (স্বপ্না দেবনাথ) সংবাদটি পরিবেশন করা হয়েছে তিনি উন্নয়ন প্রচেষ্টার ঋণী সদস্য না। স্বপ্না দেবনাথের নামে কোন ঋণ বিতরণ করা হয়নি এবং উনার নিকট কখনো ঋণের কিস্তির টাকা চাওয়া নিয়ে শ্লীলতাহানির মতো কোন ঘটনা ঘটেনি।।
প্রকৃত ঘটনা হলো উন্নয়ন প্রচেষ্টার খলিষখালী শাখার আওতায় মঙ্গলান্দকাটি গ্রামের শিমুল মহিলা সমিতির সদস্য নমিতা রানী গত ২১/১১/২০১৯ ইং ও ০৮/০১/২০২০ ইং তারিখে সাপ্তাহিক ও ছয়মাস পর এককালীন পরিশোধের শর্তে মাছ চাষ ও ধান চাষ প্রকল্পে (৩০,০০০/- +১০,০০০/-)= ৪০,০০০/-টাকা ঋণ নিয়ে সাপ্তাহিক কিস্তির টাকা নিয়মিত না হলেও মাঝে মধ্যে পরিশোধ করতো। করোনা ভাইরাস জনিত দুর্যোগের কঠিন সময় সরকারী নির্দেশে কিস্তি আদায় বন্ধ থাকে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) নির্দেশ অনুযায়ী জুলাই ২০২০ হতে ঋণ কার্যক্রম শুরু করা হয়। করোনা ভাইরাসের প্রভাবে যে সকল ঋণী সদস্যর গ্রহীত প্রকল্পের ক্ষতি হয়নি এবং কিস্তি পরিশোধ করতে সক্ষম তাদের নিকট থেকে ঋণের কিস্ত আদায় করা হয়। পাশাপাশি ঋণের জন্য অপেক্ষমান সদস্যদের আয়মূলক প্রকল্পে ঋণ বিতরণ করা হয়। ঋণ গ্রহীতা নমিতা রানীর প্রকল্প মাছ চাষ ও ধান চাষের ক্ষতি না হলেও ঋণের কিস্তি দেয়না। গত ১৪/০৯/২০২০ তারিখ এরিয়া ব্যবস্থাপক, শাখা ব্যবস্থাপক ও ঋণ কর্মকর্তা বিশ্বজিত কুমার মন্ডল ঋণী সদস্য নমিতা রাণীর বাড়ি যেয়ে তার সমস্যা/অবস্থার কথা জানতে চাইলে ও ঋণের কিস্তি দেওয়ার কথা বললে কোন সমস্য না বলে ০১/১০/২০২০ তারিখে কিস্তির টাকা পরিশোধ করে দেবেন বলে জানান।
সমস্যর কথা অনুযায়ী ০১/১০/২০২০ তারিখে ক্রেডিট অফিসার বিশ্বজিত কুমার মন্ডল কিস্তির টাকা আনতে গেলে টাকা না পেয়ে শাখা ব্যবস্থাপককে জানালে শাখা ব্যবস্থাপক যায় তখন নমিতা রানী ০৪/১০/২০২০ ইং তারিখ বিকালে টাকা পরিশোধ করে দেবেন জানায়। সেই মোতাবেক ক্রেডিট অফিসার বিশ্বজিত কুমার মন্ডল ০৪/১০/২০২০ ইং তারিখে বিকেল ৪.০০ টায় কিস্তির টাকা আনতে গেলে টাকা নেই কোথা থেকে দিব যখন ইচ্ছা তখন দিব ইত্যাদি বলে। বিষয়টি শাখা ব্যবস্থাপককে জানালে শাখা ব্যবস্থাপক দুইজন সহকর্মীকে সাথে নিয়ে নমিতা রানীর বাড়ীতে যান এবং বলেন আপনি একাধিকবার ওয়াদা করে না দিয়ে এমন বলছেন কেন? সদস্য কোন কথা বলেনা। সদস্যর মেয়ে স্বপ্না দেবনাথ বলে, আমার স্বামী আলীমকে বলেছি উনি কিস্তির টাকা পরিশোধ করে দিবেন। আপনারা আর কিস্তির টাকা চাইতে আসবেন না। আমার স্বামী আলীমের কাছ থেকে নিবেন। তখন শাথা ব্যবস্থাপক বলেন, আমরা আপনার স্বামী আলীমকে চিনিনা। যিনি টাকা নিয়েছেন তিনি পরিশোধ করবেন। এ কথা বলে সকলে মাগরেব নামাজের আগে অফিসে চলে আসেন। তখন কোন গলযোগ বা লাঞ্চিত হওয়ার মতো কোন কিছু হয়নি।
