জয়দেব চক্রবর্ত্তী, কেশবপুর (যশোর) :
গত ৫ জানুয়ারী কেশবপুর সদর ইউনিয়নের একটি ভোট কেন্দ্রে ভোট কেটে নেয়ার অভিযোগে স্থগিত একটি কেন্দ্রের ভোট কবে হবে এটা এখন টক অব দ্যা টাউনে পরিণত হয়েছে। এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হন টানা তিন বারের চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রভাষক আলাউদ্দিন আলা(মোটরসাইকেল) ,গৌতম রায় (নৌকা),আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র জাহাঙ্গীর আলম(চশমা), স্বতন্ত্রপ্রার্থী মোঃ আয়ুব আলী (আনারস) ও মোঃ আনিসুর রাহমান(হাতপাখা )।
স্থগিত ভোট কেন্দ্রের ফলাফল বাদে ৮ টি ভোট কেন্দ্রের ফরাফলে মোটর সাইকেল -৪হাজার ৯শ ২৬, নৌকা -৫ হাজার ৩শ ৮৭, আনারস -১২৩, হাতপাখা-২২৩ ও চশমা -১২০৭ ভোট পেয়েছেন। মুল প্রতিদ্বন্ধিতায় নৌকা আর মোটরসাইকেল প্রতিকের মধ্যে নৌকা প্রতিকের প্রার্থী গৌতম রায় ৪৫৮ ভোটে এগিয়ে আছেন।
এদিকে স্থগিত হওয়া নুতনমুল গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যাল কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ১শ ১৯। আবার এ কেন্দ্রটি বরাবরই প্রভাষক আলাউদ্দিন আলার ভোট ব্যাঙ্ক হিসেবে পরিচিত।
কেশবপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসার বজলুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, স্থগিত ভোট কেন্দ্রটির ভোট গ্রহণের তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি।
তারপরো কেশবপুর সদর ইউনিয়ন ও কেশবপুর সদর জুড়েই চলছে চুলচেরা বিশ্লেষন। প্রশাসনিক কর্মকর্তৃারা বলছেন নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকবে এ কেন্দ্রটি। ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবেন। কাষ্টিং ভোটের উপর ভরসা করে এগুতে হচ্ছে দু প্রার্থীকে। প্রভাষক আলাউদ্দিন আলা নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার শতভাগ আশা ব্যক্ত করেছেন। অপর দিকে গৌতম রায় নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, অপেক্ষা ভোট গ্রহণ ও ফলাফল।
