হোম আন্তর্জাতিক জাহাঙ্গিরপুরী দাঙ্গা, গ্রেফতার ২৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ভারতের উত্তর-পশ্চিম দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরীতে দাঙার ঘটনায় ২৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে দুই নাবালক রয়েছে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া

দাঙ্গা বাধানো ও বেআইনিভাবে জমায়েতের অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ।

রোববার (১৭ এপ্রিল) দিল্লি পুলিশ জানায়, এ ঘটনার পেছনে বড় ষড়যন্ত্র রয়েছে।

পুলিশের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্তদের মধ্যে একজন মোবাইল ফোন ঠিক করার কাজ করেন। তিনিই প্রধান ষড়যন্ত্রকারী। তার অপরাধমূলক কাজের রেকর্ডও রয়েছে। জাহাঙ্গিরপুরী দাঙ্গার ঘটনায় সাত পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

গুলিবিদ্ধ সাব-ইন্সপেক্টর মেদা লাল মীনা বলেন, পুলিশ যদি সঠিক সময়ে ঘটনাস্থলে না পৌঁছাত এবং নিজেদের দায়িত্ব ঠিকমতো পালন না করত, তাহলে হতাহতের সংখ্যা বাড়ত।

মিনা ১৯৯৩ সাল থেকে দিল্লি পুলিশে কর্মরত। অনেক ঘটনার সাক্ষী তার এই কর্মজীবনে। তিনি জাহাঙ্গিরপুরীতে হিংসার ঘটনায় বাঁহাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

সেদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে মিনা বলেন, ‘মিছিলটি বিকেলে শুরু হয়েছিল, সন্ধ্যা ৬টার দিকে একটি মসজিদের সামনে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দিয়ে মিছিলটি মসজিদের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। তখনই দাঙ্গা বাধে। আমি পেছনের সারিতে ছিলাম। তাই আমি জানি না সংঘর্ষের কারণ কী। পুলিশের পক্ষ থেকে দ্রুত হস্তক্ষেপ করে উভয় সম্প্রদায়ের মানুষকে আলাদা করে দেওয়া হয়েছিল।’

মিনা আরও বলেন, ‘এ ঘটনার কিছু সময় পর এলাকা শান্ত হয়ে গিয়েছিল। কিছু সময় পর একদল লোক রড, তলোয়ার নিয়ে ছুটে আসে। ব্যাপক পাথর ছুড়তে শুরু করে পুলিশের ওপর। এরপরই শুরু হয় মিছিল লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার ঘটনা। প্রায় ৮-১০ রাউন্ড গুলি চালানো হয়। আমার হাতে গুলি লাগে।’ পাশাপাশি তিনি পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, সেদিন পুলিশ যদি তৎপর না হতো, তাহলে আরও হতাহতের ঘটনা ঘটত।

হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষে বলা হচ্ছে মুসলিমরা পাথর ছুড়েছিল মিছিলে। এদিকে এলাকার স্থানীয় মুসলিমদের দাবি, মিছিলে থাকা হিন্দুরা উসকানিমূলক স্লোগান তুলেছিল ও মসজিদে পাথর ছুড়েছে।

 

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন