জাতীয় ডেস্ক :
চড়া সুদে ঋণ, আধুনিকায়নের অভাবসহ নানা কারণে গত চার বছরে জয়পুরহাটে বন্ধ হয়ে গেছে সাড়ে তিন শতাধিক হাসকিং মিল। আর পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে চাতালগুলো। পুনরায় ব্যবসা শুরু করতে সরকারি সহযোগিতার দাবি ব্যবসায়ীদের। আর খাদ্য বিভাগ বলছে, মিল মালিকদের লাইসেন্স নবায়নে কাজ করছে তারা।
জয়পুরহাটের পাঁচ উপজেলায় ৫০২টি হাসকিং মিল গড়ে ওঠে। নানা কারণে গত চার বছরে বন্ধ হয়ে গেছে এর ৭০ ভাগ চালকল।
ব্যবসায়ীরা জানান, চড়া সুদে ঋণ পরিশোধ, অটোরাইস মিলের সঙ্গে ব্যবসায় টিকতে না পারাসহ নানা করণে মিল বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন তারা।
জয়পুরহাট চাউল কল মালিক সমিতি সভাপতি শামসুল আলম বলেন, ‘সরকারের চাহিদা অনুযায়ী কালার শাটার মেশিন স্থাপনে নতুন বিনিয়োগের অর্থ বেশির ভাগ মিল মালিকের নেই।’
এদিকে চাতাল বন্ধ হওয়ায় বেকার হয়ে পড়েছেন শত শত শ্রমিক।
তবে জয়পুরহাট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সন্তোষ কান্তি চাকমা বলেন, ‘বন্ধ মিলের লাইসেন্স নবায়নসহ নতুন করে মিলগুলো চালুর চেষ্টা চলছে।’
চার বছর আগেও জয়পুরহাটের হাসকিং মিল থেকে বছরে প্রায় ২৫ কোটি টাকার ব্যবসা হতো। এখন সেটা নেমে এসেছে প্রায় ৭ কোটি টাকায়।
