জাতীয় ডেস্ক :
পারিবারিক কলহের জের ধরে ফেনীতে গরম পানিতে ঝলসে সাবেক ক্রিকেটার কাউছার আলম তৈমুরকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তার স্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার (১৭ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইউনিটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় তৈমুরের স্ত্রীর বিরুদ্ধে তৈমুরের ছোট ভাই তানজুর চৌধুরী বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় মামলা করেন। রাতেই তৈমুরের স্ত্রীকে নাজির রোডের স্বপ্ন কুঠিরের দ্বিতীয় তলা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে তার দুই মেয়েকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।
নিহত কাউছার আলম তৈমুর ফেন্ডশিপ ক্রিকেট ক্লাবের সাবেক ক্রিকেটার ছিলেন। তিনি শহরের নাজির রোড এলাকার স্বপ্ন কুঠিরের দ্বিতীয় তলায় স্ত্রী ও তার দুই কন্যাকে নিয়ে থাকতেন। তৈমুর আবু তৈয়ব চৌধুরীর ছেলে।
মামলার বাদী ও তৈমুরের ছোট ভাই তানজুর চৌধুরী জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে কলহ চলছিল। গত সোমবার (১১ এপ্রিল) সকাল ৬টার দিকে তৈমুরের চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় গরম পানিতে তার শরীর ঝলসে দেওয়া হয়েছে। সেখানে থেকে প্রথমে তাকে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়।
ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বদরুল আলম মোল্লা জানান, তৈমুরের এটি প্রথম বিয়ে হলেও অভিযুক্ত স্ত্রীর এটি তৃতীয় বিয়ে এবং দ্বিতীয় পক্ষের স্বামীর ঘর ছেড়ে আসার সময় কয়েক লাখ টাকাও নিয়ে আসেন। সে টাকা-পয়সা নিয়ে ঝগড়া লেগেই থাকত তাদের মধ্যে।
এদিকে স্ত্রীর অভিযোগ, নিহত তৈমুরের সঙ্গে অন্য নারীর পরকীয়া রয়েছে। তবে সব বিষয়ে আমরা খতিয়ে দেখছি।
