হোম অর্থ ও বাণিজ্য ‘গত অর্থবছরের প্রকৃত রফতানি আয় ৫২ নয়, আরও কম’

বাণিজ্য ডেস্ক :

গত অর্থবছরে দেশের প্রকৃত পণ্য রফতানি আয় ৫২ বিলিয়ন ডলার নয়, তা বাস্তবে আরও কম বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি জসিম উদ্দিন। ব্যবসা-বাণিজ্যে সরকার সুবিধাজনক অবস্থানে থাকার দাবি করলেও, ব্যবসায়ীদের এ শীর্ষ নেতা জানান, তারা কষ্টে আছেন।

বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) জাতীয় ফার্নিচার মেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জসিম উদ্দীন।

এসময় তৈরি পোশাক খাতের মত ফার্নিচার শিল্পের জন্যও বন্ড সুবিধা চান উদ্যোক্তারা।

২০২১-২২ অর্থবছরে দেশের ইতিহাসে রফতানি আয়ে রেকর্ড গড়ে বাংলাদেশ। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্যমতে, গেল অর্থবছরে ৫২ বিলিয়ন ডলার আয় হয়। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ বেশি। হোম টেক্সটাইল, চামড়া ও চামড়াজাত, পাট ও পাটজাত পণ্যসহ বেশ কয়েকটি খাতে রফতানি আয় ১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। জুলাইয়ে ইপিবি প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনের ৪ মাস পর এসে রফতানি আয় নিয়ে ভিন্ন তথ্য দিলেন এফবিসিসিআই সভাপতি।

এ বিষয়ে জসীম উদ্দীন বলেন, আমরা ৫২ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানি করেছি। আর সেবা মিলিয়ে আমাদের রফতানি আয় ৬২ বিলিয়ন ডলারের মত। এ যে ৫২ বিলিয়ন ডলার আয়ের কথা বলা হচ্ছে, তা কিন্তু আমাদের কাঁচামালের দাম ৪০ শতাংশ বাড়ার কারণে হয়েছে। প্রকৃতভাবে আমাদের পণ্য রফতানি আয় কিন্তু ৫২ বিলিয়ন ডলার না, এর চেয়েও কম।

নানা দেনদরবারের পর চলতি অর্থবছরে রফতানিমুখী শিল্পখাতের জন্য অভিন্ন করপোরেট কর হার ১২ শতাংশ নির্ধারণ করেছে সরকার। এবার সবার জন্য বন্ড সুবিধা দেয়ার দাবি জানালেন এফবিসিসিআই সভাপতি।

তিনি বলেন, অপব্যবহার হওয়ার শঙ্কা থাকায় সরকার সবাইকে বন্ড সুবিধা দিচ্ছে না। কিন্তু কোন জায়গায় অপব্যবহার হয় না? সব জায়গাতেই অপব্যবহার হচ্ছে।

ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় ৫ দিনব্যাপী এবারের ফার্নিচার মেলায় ৩৪টি প্রতিষ্ঠানের ১৮২টি স্টল রয়েছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা উন্মুক্ত থাকবে।

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন