হোম রাজনীতি গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেয়া তরুণ ভোটারদের বাধাগ্রস্ত করতে চাইলে আগুন জ্বলবে: জামায়াত আমির

গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেয়া তরুণ ভোটারদের বাধাগ্রস্ত করতে চাইলে আগুন জ্বলবে: জামায়াত আমির

কর্তৃক Editor
০ মন্তব্য 60 ভিউজ

নিউজ ডেস্ক:
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেয়া তরুণ ভোটারদের ভোটকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইলে আগুন জ্বলবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, তাদের ভোটে কেউ হাত দেবেন না। হাত দিলে আগুন জ্বলবে। ওই স্লোগান শেষ। সন্ত্রাসীরা বলত, আমার ভোট আমি দেব, তোমারটাও আমি দেব। ওই দিন এখন শেষ। আপনারটা আপনি দেন, আমারটা আমি দেব। এবার তাই হবে, ইনশাআল্লাহ।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলার পাড় এলাকায় এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ কথা বলেন। জামায়াতের আমির বলেন, আমরা শুনতে পাচ্ছি, কেউ কেউ নিজেদের হেরে যাওয়ার (জাতীয় নির্বাচনে) ভয়ে বাঁকা অন্ধকার গলিপথে চলতে পারেন। আমরা নির্দিষ্ট কোনো দলকে বলছি না, ব্যক্তিকেও বলছি না। আমরা আশা করব, জুলাইয়ের চেতনাকে উপলব্ধি করে এগুলো থেকে সরে আসবেন। যদি না আসেন মনে রাখবেন, জুলাই যোদ্ধারা ঘুমিয়ে যায়নি। তাদের প্রথম কাজটি করেছে, দ্বিতীয় কাজের জন্য তারা এখন প্রস্তুত।

ঢাকা-৪ ও ঢাকা-৫ আসনের নির্বাচনী কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত জনসভায় জামায়াত আমির বলেন, আমরা নির্দিষ্ট কোনও দল বা ব্যক্তির কথা বলছি না। তবে যারা এমন পথে যেতে চাইছেন, তারা যেন জুলাইয়ের চেতনাকে উপলব্ধি করে সরে আসেন। না হলে মনে রাখবেন জুলাই যোদ্ধারা ঘুমিয়ে নেই। প্রথম কাজটি তারা করেছে, দ্বিতীয় কাজের জন্য প্রস্তুত।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের জনগণের অর্থে কেনা অস্ত্র থেকে জনগণের ওপরই গুলি ছোড়া হবে, জামায়াত এটি দেখতে চায় না। ফ্যাসিবাদের সব জট কেটে দিতে হলে ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে। ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি, ‘না’ মানে গোলামি।

জামায়াত আমির বলেন, দেশে এখন নতুন একটি পেশা খুব ভালো চলছে। সেটি চাঁদাবাজি। যারা এই পেশায় যুক্ত, তারা যেন ভালোপথে ফিরে আসে। তাদের হালাল রুজির ব্যবস্থা করা হবে। যদি এই পথ বাদ না দেয়, জামায়াতের পক্ষ থেকে তাদের লাল কার্ড দেখানো হবে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কওমি মাদ্রাসার সনদের স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে শুধুমাত্র উচ্চস্তরে। নিম্নস্তরে দেয়া হয়নি। জামায়াত কওমি মাদ্রাসার পরিচালকদের সঙ্গে বসে তাদের ইচ্ছা ও পরামর্শ অনুযায়ী মাদ্রাসাগুলোকে সম্মানের জায়গায় পৌঁছে দেবে।

তিনি বলেন, হেফাজতের আন্দোলনে নিহত ব্যক্তিদের রাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি দেয়া হয়নি। এই স্বীকৃতি দিতে হবে।

জামায়াতের আমির ঢাকা-৪ আসনের প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন ও ঢাকা-৫ আসনের প্রার্থী কামাল হোসেনের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন এবং তাদের ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে এলাকাবাসীর প্রতি অনুরোধ জানান।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার পরে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে জনসভা শুরু হয়। সভায় বক্তব্য দেন জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, জাকসু এজিএস মাজহারুল ইসলামসহ জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, এবি পার্টি এবং ঢাকা-৪ ও ৫ আসনের বিভিন্ন ওয়ার্ড জামায়াতের নেতারা।

জনসভায় সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নায়েবে আমির আবদুস সবুর ফকির। সঞ্চালক ছিলেন যাত্রাবাড়ী থানা জামায়াতের আমির একে আজাদ খান, কদমতলী থানার আমির মো. মহিউদ্দিন এবং মহানগরী দক্ষিণের মজলিশে শুরা সদস্য মিজানুর রহমান মালেক।

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন