বাণিজ্য ডেস্ক :
কুষ্টিয়ার খাজানগর মোকামে বেড়েই যাচ্ছে চালের দাম। গত সপ্তাহ থেকে সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। খুচরা ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ধানের দাম বৃদ্ধির অজুহাতে মিলাররা চালের দর বাড়িয়েছেন। এতে প্রভাব পড়েছে রাজধানীসহ সারা দেশের চালের বাজারে।
দেশের বৃহত্তম চালের মোকাম কুষ্টিয়ার খাজানগর। এখান থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে চাল সরবরাহ করা হয়।
সপ্তাহের ব্যবধানে চালের ৫০ কেজির বস্তা প্রতি ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বেড়েছে। গত সপ্তাহে মিনিকেটের দাম ছিল কেজি প্রতি ৬৮ টাকা। বর্তমানে তা ঠেকেছে ৭০ টাকায়। আর বাসমতি কেজি প্রতি ৭৯ টাকা থেকে বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৮২ টাকায়। দিনের পর দিন চালের দাম বাড়তে থাকায় বিপাকে নিম্নআয়ের মানুষ।
দাম বাড়ার বিষয়ে এক চাল বিক্রেতা বলেন, মিনিকেট, বাসমতি, কাজললতা এবং ব্রি-২৮। সবধরনের চালের দামই ১ টাকা করে বেড়েছে।
অন্যদিকে নাভিশ্বাস ক্রেতারা বলেন, আমরা অনেক কষ্টে আছি। চালের দাম বেড়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে তেলের দামও বেড়ে যাচ্ছে।
খুচরা ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ট্রাক ভাড়া বাড়ার পাশাপাশি ধানের দাম বৃদ্ধির অজুহাতে চালের দাম বৃদ্ধি করেছেন মিলাররা। খুচরা ব্যবসায়ী স্বাধীন মিয়া বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পরেই পরিবহন ভাড়া বেশি হয়ে গেছে। তারপরেই চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সকল পণ্যের দামই বেড়েছে।
তবে আমন মৌসুমের ধান বাজারে এলে চালের দাম নিম্নমুখী হবে বলে জানান মিল মালিকরা। কুষ্টিয়ার মিল মালিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক বলেন, ধানের সঙ্গে চালের যেহেতু একটি সামঞ্জস্য থাকে, সেহেতু চালের দাম বেড়েছে। তবে নতুন ধান উঠলে বা এলসি ঢুকলে আমাদের চালের বাজারে দাম একটু কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
উল্লেখ্য, কুষ্টিয়া মিল মালিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যমতে, জেলায় ৫৫টি অটো ও ৩৭টি সেমি-অটো এবং এক হাজারের বেশি হাস্কিং রাইস মিল রয়েছে।
