নিজস্ব প্রতিনিধি :
বাবার জীবদ্দশায় তৈরী করা ট্রাস্টের একজন অংশীদার নিয়মনীতি ও আইন লঙ্ঘন করে তার অংশ বিক্রির পায়তারা শুরু করেছে। এ নিয়ে সাতক্ষীরা আদালতে একটি মামলা করে মাত্র ৫২ কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তি করায় ট্রাস্টের অন্যান্য শরীকরা ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করায় নিন্ম আদালতের আদেশ স্থগিত রয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলন করে একথা জানান সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া মৌজার মৃত গোলাম আকবরের পুত্র অন্যতম ট্রাস্টি মোঃ মহসীন।
তিনি বলেন, তার বাবা জীবদ্দশায় ৬.৮২৭০ একর জমি ৯ জনের নামে ট্রাস্টভুক্ত করেন। এর মধ্যে ছিলেন পিতা গোলাম আকবর ও মাতা ছাড়াও ৭ ছেলে মিলে মোট ৯ জন। বর্তমানে মোঃ মহসীনের বাবা মা ও ভাইদের মৃত্যুর পর ৫ জন ট্রাস্টি জীবিত রয়েছেন। এই ট্রাস্টের সভাপতি গোলাম আকবরের ছেলে ডা. আবুল ফজল। ট্রাস্ট গঠনের সময় তিনি পারিবারিক গোরস্থান ও দাতব্য চিকিৎসালয় নির্মানের জন্য দুটি দলিলভুক্ত করেন।
অভিযোগ করে মোঃ মহসীন বলেন, ট্রাস্টের সদস্য তার ভাই আবুল বাশার তার আরেক ভাই আবু সাইদকে বিবাদী করে আদালতে একটি মামলা করেন। তার উদ্দেশ্য তিনি ওই জমি বেচাকেনা করবেন। বন্টননামা না হওয়া সত্ত্বেও আইনগতভাবে এই জমি বিক্রি করা যায় না এমন আইন থাকলেও তিনি তার তোয়াক্কা করছেন না। এ নিয়ে আবুল বাশার পারিবারিক সম্পত্তিতে নানা ধরনের ঝামেলা সৃষ্টি করেছেন।
তিনি এর প্রতিবাদ করে বলেন, কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবুল বাশারের কাছ থেকে জমি ক্রয় করলে আইনসিদ্ধ হবে না। উক্ত জমি মাঠ জরিপে ট্রাস্টের সদস্যদের নাম অন্তর্ভূক্ত হয়ে আছে। এ কারনে আদালতে আবুল বাশারের দেওয়া সকল তথ্যই মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত। আবুল বাশার যাতে এই জমি কোনভাবে বিক্রি বা হস্তান্তর করতে না পারেন সেজন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আহবান জানান তিনি।
