জাতীয় ডেস্ক :
পিরোজপুরে একই অফিসের সহকর্মীদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। শনিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে পিরোজপুর প্রেসক্লাবে মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের বর্তমান ও সাবেক ৭ প্রশিক্ষক ওই অফিসের অন্য ৩ সহকর্মীর বিরুদ্ধে এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পিরোজপুর মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের প্রশিক্ষক শাহাজাদী খান অভিযোগ করেন, ওই অফিসে দিলরুবা পারভীন ওরফে রওশন প্রশিক্ষক হিসেবে কর্মরত। একই অফিসে তার এক বোন আফসানা আক্তার মিমি একটি প্রকল্পে প্রশিক্ষক এবং অন্য বোন নূরে জান্নাত ফেরদৌস প্রোগ্রাম অফিসার হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্বে কর্মরত আছেন।
মিমি এক নাগাড়ে সাড়ে ৬ মাস অফিসে অনুপস্থিত থাকার পর একদিন অফিসে এসে হাজিরা খাতায় একবারে সব স্বাক্ষর করেন। অন্যদিকে রওশনের কর্মস্থল পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় হলেও, সে ২০১১ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ১২ বছর মূল পদ ও ডেপুটেশনে পিরোজপুর জেলা অফিসে কর্মরত।
বর্তমানে পুরো অফিস তার নিয়ন্ত্রণে। ওই অফিসে কর্মরত রাজস্ব খাতের একজন এবং ‘জীবিকায়নের জন্য মহিলাদের দক্ষতা অর্জন’ প্রকল্পের ৪ জন, রওশন এবং তার বোনদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ। তাদের অত্যাচারে ওই অফিসের প্রশিক্ষক ফারজানা আক্তার রুমা ২০১৬ সালে চাকরি ছেড়ে চলে যায়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এছাড়া আরেক প্রশিক্ষক তটিনী মণ্ডলকে চাকরিচ্যুত করা হয়। এছাড়া তাদের সঠিকভাবে কোনো দায়িত্বই পালন করতে দেয় না। ওই অফিসের সাবেক জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মামুন-উর-রশীদের সময় রওশনের দৌরাত্ম্য শুরু হয়। বর্তমান উপ-পরিচালক মো. জাকির হোসেন অভিযুক্ত রওশনের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় হওয়ায় তিনি এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেন না।
এদিকে মো. জাকির হোসেন বলেন, এ বিষয়ে তার কাছে কেউ কোনো অভিযোগ করে নাই। এছাড়া অফিসের সবাই তার আপন। আর ছুটি থাকা অবস্থায় হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করায় রওশনকে কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়েছিল এবং সে তার সঠিক জবাবও দিয়েছে।
