হোম আন্তর্জাতিক উনিশের যুবককে জীবনসঙ্গী করলেন ৫৬ বছরের নারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

প্রথম আলাপের সময় ছেলেটির বয়স ছিল মাত্র দশ। তারপর বেশ কয়েক বছরের প্রেম। অবশেষে ১৯ বছরের যুবককেই জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন ৫৬ বছর বয়সী এক নারী। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, ওই যুবক আবার সম্পর্কে সেই নারীরই নাতি!

ঘটনাটি ঘটেছে থাইল্যান্ডের এক গ্রামে। সেই গ্রামেই থাকতেন জানলা নামুয়াংরাক নামে এক নারী। প্রায় ২০ বছর আগে স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছেদ হয় তার। পরে নিজের তিন সন্তানকে নিয়ে একা থাকতেন নামুয়াংরাক। এতদিন দ্বিতীয় জীবনসঙ্গী বেছে নেয়ার কথা ভাবেননি, তার সন্তানদের বয়সও ৩০ পেরিয়েছে। তাই ওই নারী দিন কাটানোর সঙ্গী হিসেবে পেতেন না কাউকেই।

একদিন বাড়ির কাজে সাহায্য করার জন্য নামুয়াংরাক তার প্রতিবেশী এক বালককে ডেকে পাঠান, যাকে তিনি দেখতেন নিজের নাতির মতো। সেই থেকে পারস্পরিক নির্ভরতার শুরু। দশ বছর বয়সী সেই বালকই যে পরবর্তীকালে তার এতটা আপন হয়ে উঠবে, সে কথা হয়তো শুরুতে ভাবতেও পারেননি ওই নারী।

ছোট কিছু কাজের পর ওই বালককে প্রথমদিন বাড়ি চলে যেতে বলেছিলেন তিনি। কিন্তু ধীরে ধীরে তাদের দুজনের মধ্যে গড়ে ওঠে অদ্ভুত সখ্য। ছেলেটিও নারীর প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে। বেশ কয়েক বছর এভাবেই কাটানোর পর দুজনেই বুঝতে পারেন যে, তারা প্রেমে পড়েছেন। এরপর সমাজ বা পারিপার্শ্বিকতার কথা চিন্তা না করেই তারা একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন। তাই ৩৭ বছরের বয়সের ব্যবধান থাকা সত্ত্বেও একসঙ্গে জীবন কাটানোর সিদ্ধান্ত নেন তারা।

ইতোমধ্যে বাগদানও সেরে ফেলেছেন। প্রথমে দুজনের পরিবারের কাছে সেই কথা গোপন রাখলেও সম্প্রতি সবকিছুই জানিয়ে দিয়েছেন। তবে তাদের এমন সম্পর্ক স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে পারেননি কেউই। যদিও তা নিয়ে মাথা ঘামাতে নারাজ ওই যুগল।

যুবকের মনে হয়েছে, তাকে সত্যিকার অর্থেই ভালোবাসেন, এমন একজন মানুষকে তিনি অবশেষে খুঁজে পেয়েছেন। বয়সের ব্যবধান নিয়ে চিন্তিত নন তিনি। আর ওই নারী বলছেন, এই সম্পর্ক তাকে নতুন করে ‘যৌবন’ উপহার দিয়েছে। অর্থাৎ এ যেন উনিশের যুবক আর ছাপ্পান্নর ‘তরুণীর’ প্রেমের গল্প।

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন