জাতীয় ডেস্ক :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইয়ামিন হোসেনের মোবাইল ফোন নম্বর ক্লোন করে জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে টাকা চাওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে এক জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গছে।
এদিকে ঘটনা জানার পর উপজেলা প্রশাসন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর এর ফেসবুক আইডি থেকে এ-সংক্রান্ত পোস্ট দিয়ে কাউকে কোনো অর্থ না দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। পোস্টে ০১৭৮২৮২৩৬৩৬ নম্বরটি ক্লোন হওয়ার কথা জানানো হয়।
উপজেলার রামরাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মশিউর রহমান সেলিম বলেন, ‘হঠাৎ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নম্বর থেকে আমার মোবাইলে ফোন আসে। সেখানে অনুষ্ঠানের জন্য ৪০ হাজার টাকা চাওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে আমি টাকাটা বিকাশে পাঠাই। এর কিছুক্ষণ পর আমার কাছে আবারও একই নম্বর থেকে এক লাখ টাকা চাওয়া হয়। পরে বিষয়টি আমার সন্দেহ হয়। কিছুক্ষণ পর ওই নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও কল ঢোকেনি। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, ইউএনওর ফোন নম্বরটি ক্লোন হয়েছে।’
এর আগেও একাধিক চেয়ারম্যানের কাছ থেকে একই কায়দায় টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি জানান।
ইউএনওকে কেন টাকা দিলেন–এমন প্রশ্নের জবাবে সেলিম বলেন, প্রায়ই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চেয়ারম্যানদের সহযোগিতা চান। তিনিও আমাদের নানাভাবে সহযোগিতা করে থাকেন। মূলত এ কারণে টাকা দেওয়া হয়েছিল।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ইউএনও মো. ইয়ামিন হোসেন সাংবাদিকদের জানান, তার মোবাইল ফোন নম্বরটি ক্লোন করে ইতোমধ্যে মজিদপুর, সাদেকপুর, রামরাইল, সুহিলপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের কাছে ফোন দিয়ে টাকা চাওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে রামরাইল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে ৪০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে। আরও একাধিক চেয়ারম্যানকে ফোন করে টাকা চাওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি থানা পুলিশ দেখবে।
