হোম আন্তর্জাতিক আল আকসা ভাঙতে মরিয়া ইসরায়েল!

আল আকসা ভাঙতে মরিয়া ইসরায়েল!

কর্তৃক Editor
০ মন্তব্য 110 ভিউজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

পুরো বিশ্বের নজর এখন ফিলিস্তিনের গাজার দিকে। প্রতি মুহূর্তে ইসরায়েলের হামলায় প্রাণ হারানো মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। ঠিক এমন সময়ে ঘটতে যাচ্ছে আরও বড় ঘটনা। এবার পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের দুর্দশার খবর চাপা পড়ে যাচ্ছে। জেরুজালেমে আল আকসা মসজিদ ভেঙে সেখানে ইসরায়েলের ধর্মীয় মন্দির ‘থার্ড টেম্পল’ বানানোর সব প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে।

গাজায় হামলার পাশাপাশি পূর্ব জেরুজালেমে মুসলমানদের ওপরও উৎপীড়ন বাড়িয়েছে ইসরায়েল। সে খবর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তেমন কোনো গুরুত্ব পাচ্ছে না। এমনকি গত পাঁচ জুমা ধরে আল আকসা মসজিদে নামাজ আদায় করতে পারছে না মুসলমানরা। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আনাদোলু নিউজ এজেন্সি বিষয়টি নিয়ে খবর প্রকাশ করেছে।

শিগগিরই ফিলিস্তিনিরা আল আকসায় নামাজ পড়তে পারবেন, এমন আশাও নেই। ইসরায়েলের সেনাবাহিনী কোনো মুসল্লিকে সেখানে ঢুকতে দিচ্ছে না। কিন্তু আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘন করে আল আকসা মসজিদ কম্পাউন্ডে ইহুদিরা প্রতিদিনই ঢুকছেন, এমনকি এই চত্বরে তারা প্রার্থনাও করছেন। যা ইসরায়েলি আইনেও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

আল আকসায় নামাজ পড়তে না দেওয়ার এ ঘটনা শুধু ফিলিস্তিনি মুসলমানদের জন্য নয়, পুরো আরব বিশ্ব তথা মুসলিম বিশ্বের মুসলমানদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এ উদ্বেগের পেছনে শুধু ধর্মীয় বিষয় নয়; বরং রাজনৈতিক বিষয়ও বড় কারণ হয়ে উঠেছে। ফেসবুক, ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সে উদ্বেগের বিষয়টি ফুটে উঠছে। এই প্রেক্ষাপটে ইহুদিদের ধর্মগ্রন্থ হিব্রু বাইবেল বা ওল্ড টেস্টামেন্টে যে ‘থার্ড টেম্পলের’ বিষয় উল্লেখ আছে সেটি আলোচনায় এসেছে। ইহুদি সম্প্রদায়ের একটি বড় অংশ, এমনকি ইসরায়েল সরকারের গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকজন নেতা মনে করছেন, আল আকসা মসজিদ ভেঙে সেখানে ‘থার্ড টেম্পল’ নির্মাণের জন্য ইহুদিরা অপেক্ষা করে আসছে এবং সেই অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে।

তারা মনে করছে, অতি অল্প সময়ের মধ্যেই আল আকসা মসজিদ ভেঙে সেখানে থার্ড টেম্পল নির্মাণ করা যাবে। এর জন্য যেসব প্রস্তুতি নেওয়ার দরকার, তার সবই নেওয়া হয়ে গেছে।

ইসরায়েল শিগগিরই থার্ড টেম্পল নির্মাণের কাজ শুরু করতে যাচ্ছে—এমন একটি আশঙ্কাই গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের আচমকা হামলা চালানোর পেছনে মূল কারণ হিসেবে কাজ করেছে বলে হামাসের বরাত দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন