অনলােইন ডেস্ক :
ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ মোকাবিলায় উপকূলীয় জেলা বরগুনায় ইতোমধ্যে জেলার ছয় উপজেলায় নগদ ২৫ লাখ টাকা ও ২০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করে মানুষদের অবস্থানের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে অতিরিক্ত ১০০ আশ্রয়কেন্দ্র।
ঘূর্ণিঝড়ের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন থেকে প্রতিটি উপজেলায় একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাঠানো হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে তারা নির্দিষ্ট উপজেলায় দায়িত্ব পালন করবেন। ঘূর্ণিঝড়ের বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে জেলাজুড়ে এরইমধ্যে শুরু হয়েছে সতর্কমূলক প্রচার। জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, ইউনিয়ন পরিষদ, রেড ক্রিসেন্ট ও ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) পক্ষ থেকে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
বরগুনা জেলার ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. লুৎফর রহমান বাংলানিউজকে বলেন, বরগুনায় ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবিলায় ২৫ লাখ টাকা ও ২০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যা প্রতিটি উপজেলায় বণ্টন করা হবে।
সিপিপির দলনেতা জাকির হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, ৬ হাজার ৩৩০ জন স্বেচ্ছাসেবী ইতোমধ্যেই কাজ শুরু করেছেন। তারা সাধারণ মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড় পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ে করণীয় সম্পর্কে সচেতন করছেন।
বরগুনার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোস্তাইন বিল্লাহ বাংলানিউজকে বলেন, ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবিলায় সরকারের নির্দেশনা পেলে স্থানীয় বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসা হবে। আশ্রয় কেন্দ্রে থাকাকালে ইফতার ও সেহরির ব্যবস্থা করা হবে এবং নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করা হবে। এরইমধ্যে ১০০ আশ্রয়কেন্দ্র বাড়ানো হয়েছে। জেলাজুড়ে মানুষকে সচেতন করার জন্য চালানো হচ্ছে প্রচারণা।
