হোম অন্যান্যশিক্ষা রিসোর্টে গিয়ে সেমিনারে অংশ নিচ্ছেন চাঁবিপ্রবির উপাচার্যসহ কর্মকর্তারা

রিসোর্টে গিয়ে সেমিনারে অংশ নিচ্ছেন চাঁবিপ্রবির উপাচার্যসহ কর্মকর্তারা

কর্তৃক Editor
০ মন্তব্য 97 ভিউজ

শিক্ষা ডেস্ক:

নারায়ণগঞ্জের একটি রিসোর্টে গিয়ে সেমিনারে অংশ নিচ্ছেন চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চাঁবিপ্রবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. নাছিম আখতারসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্ধতন কর্মকর্তারা এতে অংশ নিলেও তা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত খরচে যাওয়া হচ্ছে বলে দাবি উপাচার্যের।

শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ফোর্থ ইন্টারন্যাশনাল সিডিএমই লিডারশিপ অ্যান্ড লার্নিং সামিট শিরোনামের ওই অনুষ্ঠান নারায়ণগঞ্জের মালিবাগের এসএইচ ক্যাসেল অ্যান্ড রিসোর্টে হওয়ার কথা রয়েছে।

ফোর্থ ইন্টারন্যাশনাল সিডিএমই লিডারশিপ অ্যান্ড লার্নিং সামিট শিরোনামের ওই সামিটে কারা অংশগ্রহণ করতে পারবেন সেই বিষয়ে সামিটের ব্যানারে বলা হয়েছে, যেকোনো প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, সিইও, ইয়াং এন্টারপ্রেনার, করপোরেট এক্সিকিউটিভ, পোস্ট গ্রাজুয়েট স্টুডেন্ট এবং অভিভাবকরা। সামিটের রেজিস্ট্রেশন ফি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, ভিআইপি প্লাটিনামের জন্য ১০ হাজার, ভিআইপি গোল্ডের জন্য ৮ হাজার, সিলভারের জন্য পাঁচ হাজার এবং ব্রোঞ্চ ক্যাটাগরির জন্য নির্ধারিত ফি তিন হাজার টাকা।

চাঁদপুর থেকে নারায়ণগঞ্জ গিয়ে এমন সামিটে কেনো বিশ্ববিদ্যালয়ের এত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করছেন এ বিষয়ে উপাচার্য বলেন, ‘এই সামিটের (সেমিনারে) অ্যাংকর স্যাম শওকত হোসেন আমার পূর্ব পরিচিত। তিনিই আমাকে এই সামিটের বিষয়টি জানিয়েছেন।’

নিজের পরিচিত লোকের সামিটে অংশ নিতে বিশ্ববিদ্যায়ের তহবিল থেকে কোনো টাকা খরচ হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য বলেন, এই সামিটে অংশ নিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল থেকে কোনো টাকাই খরচ করা হবে না। আমরা প্রত্যেকে নিজ উদ্যোগে এই সামিটে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই সামিটে অংশগ্রহণকারীদের কোনো ধরণের টিএ/ডিএও দেয়া হবে না।

সামিটে কারা অংশগ্রহণ করতে পারবেন এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করা থাকলেও একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই কেন ১২ জন যোগদান করছেন এ বিষয়ে উপাচার্য বলেন, আমি যদি যাই তবে আমার বাবুর্চিও তো সেই সামিটে অংশগ্রহণ করতে পারে। যেহেতু আমাকে দাওয়াত দেয়া হয়েছে তাই আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে সেখানে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

শেষে উপাচার্য বলেন, যেহেতু বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার সৃষ্টি হচ্ছে তাই আমি মনোক্ষুণ্ন। এভাবে সমালোচনা হতে থাকলে আমি হয়তো শেষ পর্যন্ত আর সামিটে অংশ নেব না।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন