জাতীয় ডেস্ক:
বাংলাদেশ এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশের পথে রয়েছে। তথ্য প্রযুক্তিতে স্মার্ট না হলে ডিজিটাল স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়ন হবে না। এ জন্য তরুণ উদ্যোক্তাদের তথ্য প্রযুক্তিতে স্মার্ট হতে হবে। কারণ তরুণরাই স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়ন করবে। তাদের মধ্যে বিশ্বাস থাকতে হবে যে তারা পারবে। এক কর্মশালায় এসব কথা বলেছেন বক্তারা।
রোববার (৮ অক্টোবর) রাজধানীর টিকাটুলিতে এফবিসিসিআই রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টারে তরুণ উদ্যোক্তাদের নিয়ে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
এফবিসিসিআই রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টারের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেন্টারের চেয়ারম্যান ও ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সাবেক সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।
তিনি বলেন, এফবিসিসিআইয়ের ইনোভেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার সম্প্রতি যাত্রা শুরু করেছে। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে এ ধরনের ইনোভেশন ও রিসার্চ সেন্টার রয়েছে। বাংলাদেশেও এ ধরনের ইনোভেশন ও রিসার্চ সেন্টারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
তরুণ উদ্যোক্তাদের সামনে বাংলাদেশের নানা ক্ষেত্রে কাজ করার বিশাল সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে এক্ষেত্রে এফবিসিসিআই ইনোভেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস সল্যুশন আর্কিটেকচার ও স্টার্টআপ লিডার মুহাম্মদ জামান। আরও বক্তব্য রাখেন সিটিও ফোরাম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তপন কান্তি সরকার ও এফবিসিসিআই ইনোভেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিকর্ণ কুমার ঘোষ।
কর্মশালায় স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠাতা ও উদ্যোক্তাদের অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস ক্লাউড অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বিশ্লেষণ প্রযুক্তি এবং মেশিন লার্নিং সুবিধা ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।
ব্যবসায়িক উদ্ভাবনকে উৎসাহিত ও গবেষণা প্রদানের উদ্দেশ্যে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে এফবিসিসিআই ইনোভেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার। বাংলাদেশের বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে এফবিসিসিআইয়ের সদস্য ও সংস্থাগুলোর জন্য পরামর্শকের ভূমিকা পালন করবে সংস্থাটি।